ফরিদপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানকে প্রধান আসামি করে ফরিদপুরে একশো কোটি ৫২ লাখ ৭৬ হাজার টাকা মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে আরও একটি মামলা হয়েছে।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন, সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ভাই ও সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবর, এপিএস এএইচএম ফোয়াদ, তার অত্যন্ত প্রিয়ভাজন দুই ভাই শহর আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও ইমতিয়াজ হাসান রুবেল।
সিআইডির ইন্সপেক্টর মো. নাসির উদ্দিন বাদী হয়ে বুধবার (৯ আগস্ট) ফরিদপুরের কোতয়ালি থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
ফরিদপুর কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমএ জলিল এর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ দমন আইনে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। কোতয়ালি থানার মামলা নম্বর ২৮।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, সাবেক মন্ত্রীর ভাই খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবরের মাধ্যমে ঠিকাদারি কাজে ৩ থেকে ৫% কমিশন নিতেন সিদ্দিকুর রহমান। খন্দকার বাবরের পরে তিনি এপিএস ফোয়াদ, বরকত ও রুবেলের হেলমেট ও হাতুড়ি বাহিনী ব্যবহার করে কমিশন বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করতেন।
ক্ষমতার দাপটে একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করে ফরিদপুর চেম্বার অব কমার্স, ফরিদপুর রেল স্টেশনের পাশে বালু ও পাথরের ব্যবসা এবং সিঅ্যান্ডবি ঘাট ও টেপাখোলা হাট নিয়ন্ত্রণ করে একশো কোটি ৫২ লাখ ৭৬ হাজার টাকা উপার্জন করেন তারা। সিদ্দিকুর রহমান ব্যাতীত এ মামলার অন্যান্য সকল আসামিরা অন্য মামলায় জেলহাজতে রয়েছেন।
এর আগে সিআইডি সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের অনুসারীদের বিরুদ্ধে ২ হাজার কোটি টাকা মানি লন্ডারিংয়ের একটি মামলার পর এপিএস ফোয়াদের নামে মানি লন্ডারিংয়ের আরও একটি মামলা দায়ের করে। এরমধ্যে ২ হাজার কোটি টাকার মামলায় প্রথম দফায় ১০ জনের নামে এবং দ্বিতীয় দফায় আগের আসামিরাসহ মোট ৪৬ জনের নামে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।
এন কে বি নয়ন/এফএ/জিকেএস