জাতীয়

বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বিচারক রসুলের দাফন সম্পন্ন

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলার বিচারক কাজী গোলাম রসুলের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। রাজধানীর সার্কিট হাউস রোডের টিপটপ মসজিদে আজ বাদ আসর নামাজে জানাজা শেষে তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়।মরহুমের বড় জামাতা ঢাকার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মো. শহীদুল ইসলাম জানান, পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী রোববার সার্কিট হাউস বাসভবনে মরহুমের কুলখানি অনুষ্ঠিত হবে।বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন (ইন্নালিল্লাহি---রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।তিনি স্ত্রী, তিন কন্যা, আত্মীয়-স্বজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।তার তিন কন্যাই বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তা। বড়মেয়ে কাজী নিসাত রসুল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব, মেজোমেয়ে কাজী নাহিদ রসুল অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব এবং ছোটমেয়ে কাজী তুহিন রসুল জার্মানীর বার্লিনে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব।১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে একদল বিপথগামী সেনাসদস্য নির্মম ও বর্বরোচিতভাবে হত্যা করে। ওই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের দীর্ঘ ২১ বৎসর পর ১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে জাতীয় সংসদে ইনডেমনিটি আইন বাতিল করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের পথ সুগম করে।ওই বছরই বঙ্গবন্ধুর একান্ত সহকারী (পিএ) এএফএম মোহিতুল ইসলাম ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন।বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ কাজী গোলাম রসুল ১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর ১৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে এ মামলার রায় ঘোষণা করেছিলেন।কাজী গোলাম রসুল ১৯৯৮ সালের শেষের দিকে জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন। পরে তাকে সরকারী কর্মকমিশনের (পিএসসি) সদস্য নিয়োগ দেয়া হয়। পিএসসি থেকে ২০০৩ সালে তিনি অবসরে যান।