কক্সবাজারে ট্রু এভিয়েশনের কার্গো বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত ইউক্রেনীয় ৩ বৈমানিকের মৃতদেহ অবশেষে ওই বিমান সংস্থাটির স্টেশন ম্যানেজারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহত বৈমানিকদের আত্মীয়স্বজনের কাছে পাঠানোর জন্য মঙ্গলবার দুপুরে এসব মরদেহ হস্তান্তর করা হয় বলে জানায় পুলিশ। তবে কবে নাগাদ এসব বৈমানিকের মরদেহ দেশে পাঠানো হবে তা নিশ্চিত করতে পারেননি ওই বিমান সংস্থাটির প্রতিনিধি।কক্সবাজার সদর থানার অপারেশন অফিসার এসআই আবদুর রহিম জানান, মঙ্গলবার দুপুরে ওই বিমান সংস্থাটির স্টেশন ম্যানেজার ও গোপালগঞ্জ জেলার বনগাঁও থানার মৃত আবদুল হাকিম শেখের ছেলে এসএম হাসমত জাহান (৫১) পুলিশ, জেলা প্রশাসন ও সিভিল সার্জনের একজন প্রতিনিধির উপস্থিতিতে ইউক্রেনীয় ৩ বৈমানিকের মৃতদেহ গ্রহণ করেছেন। তিনিই এসব মরদেহ দেশে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করবেন।ট্রু এভিয়েশনের স্টেশন ম্যানেজার এসএম হাসমত জাহান জানান, মঙ্গলবার বিকেলে তিনটি মৃতদেহ গ্রহণের পর তা ফরেনসিক রিপোর্টের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এখানে ফরেনসিক রিপোর্টের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেই ঢাকায় পাঠানো হবে এসব মরদেহ।তবে কবে নাগাদ এসব বৈমানিকের মরদেহ দেশে পাঠানো হবে সে ব্যাপারে তিনি কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারেননি। এবিষয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরির পর মরদেহ দেশে পাঠানো হবে।উল্লেখ্য, গত ৯ মার্চ (বুধবার) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজার শহরের ১ কিলোমিটার পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে বিধ্বস্ত হয় চিংড়ি পোনা পরিবহনকারী কার্গো বিমান এস-২ এজিজেট। এতে বিমানের পাইলট মুরাদ গাফারভ, ফার্স্ট অফিসার ইভান পেটরভ ও ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ার আন্দ্রি কুলিশ নিহত হন।এসময় আহত হন নেভিগেটর ডলোডারমান। আহত ডলোডারমান বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনার এক সপ্তাহ পর গত বুধবার বিকেলে ৩ বৈমানিকের মৃতদেহ ট্রু এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করলেও এতদিন তা সদর হাসপাতালের হিমঘরে ছিল।সায়ীদ আলমগীর/বিএ