বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসের জাভেনতাম বিমানবন্দর ও ম্যালবিক মেট্রো স্টেশনে মঙ্গলবার বোমা হামলার পর ফেসবুক চালু করেছে ‘সেফটি চেক’ অপশনটি। এর মাধ্যমে ঘটনাস্থলে অবস্থানকারী ফেসবুক ব্যবহারকারীরা তাদের বন্ধুদের জানাতে পারবেন নিজেদের নিরাপদ থাকার বিষয়ে। খবর ব্লুমবার্গ।ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক সেবা ব্যাহত হওয়ায় ব্রাসেলসে হামলার পর বেশকিছু সময় অপশনটি বন্ধ ছিল। ঘণ্টা দুয়েক পর ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক ঠিক হলে অকুস্থলে নিরাপদে থাকা ব্যক্তিরা ফেসবুকে নোটিফিকেশন দিয়ে নিজেদের নিরাপদ অবস্থানের কথা জানান পরিজনদের।প্যারিসে সন্ত্রাসী হামলা ও ভারতের চেন্নাইতে ভয়াবহ বন্যার সময়ও সক্রিয় ছিল ফেসবুকের সেফটি চেক ফিচারটি। প্রতিষ্ঠানের বিবৃতি অনুযায়ী, গত বছর এ ফিচার ৯৫ কোটিরও বেশি ফেসবুক ব্যবহারকারীকে ঘটনাস্থলে থাকা বন্ধু ও আত্মীয়-পরিজনদের নিরাপদে থাকার বিষয়টি নোটিফিকেশনের মাধ্যমে জানতে সহায়তা করেছিল। অনেক সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও হামলার পর বেশির ভাগ নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে যায়। সে কথা ভেবেই সেফটি চেক এনেছে মার্কিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি।২০১৪ সালের অক্টোবরে সেফটি চেক অপশন চালু হয়েছিল। এটি ফেসবুকের জাপানি প্রকৌশলী দলের মস্তিষ্কপ্রসূত। এ প্রকৌশলীদের বেশির ভাগই ২০১১ সালের সুনামি ও ভূমিকম্পের কবলে পড়েছিলেন। বিভিন্ন প্রতিকূল পরিবেশ সম্পর্কেও তারা যথেষ্ট ওয়াকিবহাল। বিভিন্ন দুর্যোগ মোকাবেলায় জাপানি প্রকৌশলীরা তাই সেফটি চেক অপশনটি উদ্ভাবন করেন।এসএইচএস/আরআইপি