জাতীয়

ডিএমপি কমিশনারকে বিদায় সংবর্ধনা দিলো পুলিশ হেডকোয়ার্টার

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার (অতিরিক্ত আইজিপি) খন্দকার গোলাম ফারুক সরকারি চাকরি থেকে স্বাভাবিক অবসরে যাচ্ছেন। অবসরে যাওয়ার আগে তাকে বিদায়ী সংবর্ধনা দিয়েছে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স।

মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের হল অব প্রাইডে এক বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। এতে আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

সভাপতির বক্তব্যে আইজিপি বলেন, পুলিশিং একটি চ্যালেঞ্জিং পেশা। খন্দকার গোলাম ফারুক পেশাগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সঙ্গে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বিদায়ী অতিথির সুস্থতা এবং সুখি-সুন্দর অবসর জীবন কামনা করেন।

খন্দকার গোলাম ফারুক তার অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, চাকরি জীবনে আমি সিনিয়র-জুনিয়র সব কর্মকর্তার সার্বিক সহযোগিতা পেয়েছি। আইজিপিসহ সব সহকর্মীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে খন্দকার গোলাম ফারুকের বর্ণিল কর্মময় ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) মো. কামরুল আহসান, অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. আতিকুল ইসলাম, সিআইডি প্রধান (অতিরিক্ত আইজিপি) মোহাম্মদ আলী মিয়া, ডিআইজি (হেডকোয়ার্টার্স) খন্দকার লুৎফল কবির, অতিরিক্ত ডিআইজি ড. শামছুন্নাহার। সভায় অতিরিক্ত আইজিপিগণ, ডিআইজি এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তাগণ তাদের বক্তব্যে খন্দকার গোলাম ফারুকের চাকরি জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

খন্দকার গোলাম ফারুক টাঙ্গাইল জেলার ভুয়াপুরের ঘাটান্দি গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৯১ সালের ২০ জানুয়ারি ১২তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। ৩২ বছর ৮ মাসের বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর অ্যাডিশনাল আইজিপি হিসেবে পদোন্নিত পান। পেশাগত দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি দুইবার বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম) পদক এবং প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল (পিপিএম) পদকে ভূষিত হন। তিনি ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত ও তিন কন্যা সন্তানের জনক।

আরএসএম/এমআইএইচএস/এএসএম