স্থানীয়দের বঞ্চিত করে প্রবাসী ক্রীড়াবিদদের বড় বড় আন্তর্জাতিক গেমসে পাঠানোর সংস্কৃতি বন্ধ করার সময় এসেছে। কোনো ট্রায়াল না নিয়েই এশিয়ান গেমসের মতো আসরে আমেরিকা থেকে উড়িয়ে এনে খেলিয়ে দেওয়া হলো নারী বক্সার জিন্নাত ফেরদৌসকে। একটি রাউন্ডও টপকাতে পারলেন না। রিংয়ে নেমেই ৫-০ তে কুপোকাত।
এর পর সবাই চোখ রেখেছিলেন আরেক প্রবাসী অ্যাথলেট ইমরানুর রহমানের ওপর। তার কারণে স্থানীয় কোনো অ্যাথলেটকে বিবেচনায় নেননি বিওএর কর্মকর্তারা। ইমরান এশিয়ান গেমসের ফাইনালে খেলবেন-এমন প্রত্যাশার কথা বলা হলেও বাস্তবে হলো উল্টো।
আজ (শনিবার) বিকেলে হাংজুতে এশিয়ান গেমসের ১০০ মিটার স্প্রিন্টের প্রথম সেমিফাইনালে ইমরানুর ৮ জনের মধ্যে ষষ্ঠ হয়ে বিদায় নিয়েছেন। তিনি সময় নিয়েছেন ১০.৪২ সেকেন্ড। শুক্রবারের হিটের টাইমিংয়ের চেয়ে মাত্র .০২ সেকেন্ড কমাতে পেরেছেন ইংল্যান্ড প্রবাসী এই অ্যাথলেট।
সবচেয়ে বড় কথা, তিনি নিজের সেরা টাইমিংয়ের ধারেকাছেও যেতে পারেননি। ৩ সেপ্টেম্বর লন্ডনে আন্তর্জাতিক অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন স্বীকৃত একটি ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় ১০.১১ সেকেন্ড টাইমিং করেছিলেন তিনি। ১০.৪২ সেকেন্ডে দৌড়িয়ে এসএ গেমসেও ভালো কিছু করা সম্ভব নয়।
শুক্রবার রাতে প্রথম রাউন্ডের ৫ নম্বর হিটে দৌড়িয়ে ইমরানুর ১০.৪৪ সেকেন্ড সময় নিয়ে সেমিফাইনালে কোয়ালিফাই করেছিলেন। এক নম্বর সেমিফাইনালে ইমরানের সঙ্গে ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার আরেক অ্যাথলেট পাকিস্তানের শাহবাজ গহর। তিনি ১০.৪৯ সেকেন্ড সময় নিয়ে তিনি হয়েছেন সপ্তম। অষ্টম হয়েছেন সৌদির নাসের।
আরআই/এমএমআর/জেআইএম