গাজীপুরে পৃথক এলাকা থেকে ফাঁস নেওয়া দুই ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) সকালে মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তারা হলো, পিরোজপুর ভান্ডারিয়া উপজেলার উত্তর পৌতখালি এলাকার মোস্তফা আকন্দদের মেয়ে সুমাইয়া খাতুন (১৫)। সে স্থানীয় একটি স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। বাবা মায়ের সঙ্গে সে গাছা থানাধীন বটতলা এলাকায় বসবাস করতো। তার আত্মহত্যার কারণ জানা যায়নি। অপরজন কিশোরগঞ্জের মিঠামাইন এলাকার সালামের মেয়ে রাদিয়া আক্তার (১০)। সে মহানগরীর হারিকেন এলাকায় বাবা মায়ের সঙ্গে সোহেলের বাসায় ভাড়া থেকে একটি নুরানি মাদরাসায় পড়ালেখা করতে৷
আরও পড়ুন: প্রেমিককে ভিডিও কলে রেখে গলায় ফাঁস জাবি ছাত্রীর
নিহত সুমাইয়ার বড় ভাই সোহাগ হোসেন বলেন, আমার ছোট বোন খুবই আদরের। ও অনেক ভালো স্টুডেন্ট ছিল। এবার এসএসসি পরীক্ষা দিবে। আমি গ্রামে থাকি আর ও মা-বাবার সঙ্গে গাজীপুরে থাকে। কত স্বপ্ন ছিল তাকে নিয়ে। কিন্তু খবর পাই ও ফাঁস নিয়েছে। কেন ফাঁস নিলো আমরা কেউ বুঝতে পারছি না।
নিহত রাদিয়া আক্তারের বাবা সালাম বলেন, আমি ঢাকায় মাছ ব্যবসা করি। মেয়ে আমার স্থানীয় একটি নুরানি মাদরাসায় পড়তো। সকালে ওর মা রুম খুলতে গেলে ভেতর হতে দরজা লাগানো পায়। পরে পুলিশ ও বাড়ির লোকজন দরজা খুলে দেখতে পায় গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে আছে। এতো ছোট মেয়ে কেন ফাঁসি নিবে ভেবে কুল পাচ্ছি না।
আরএইচ/এমএস