মাত্র একটি সেলাই মেশিনই বদলে দিতে পারে আমদের জীবন। ভাবনা থাকে না পড়াশোনার খরচ নিয়ে। এবাবেই মনের অভিব্যক্তি প্রকাশ করলেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বংকিরা গ্রামের রানা আহম্মেদ।শৈলকুপার ডিএম কলেজে রাষ্ট্র বিজ্ঞানে অনার্স পড়ুয়া রানা আহম্মেদ জানান, বাবা আব্দুল হালিম ওরফে ট্যাংরা ঝিনাইদহের সাধুহাটী ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম পুলিশের চাকরি করেন। অর্থের অভাবে লেখাপড়া বন্ধ হতে চলেছে। পরের ধার করা সেলাই মেশিন চালিয়ে অবসরে যে টাকা আয় হয়, তাই দিয়ে চলে রানার অনার্স পড়ার খরচ। রানার বোন রানী সদর উপজেলার বংকিরা হাই স্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী।স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর শহিদুল ইসলাম মনসাদ জানান, গ্রাম পুলিশের চাকরি করে আব্দুল হালিমের সংসার চলে না। তার উপর দুই সন্তানের পেড়ালেখার খরচ চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন তিনি। প্রতিবেশি দারুলের স্ত্রী পারভিনা খাতুনের সেলাই মেশিন ধার করে তিনি কাপড় সেলাই করেন। রানার সঙ্গে কোন সহৃদয়বান ব্যক্তি কথা বলতে চাইলে ০১৭৬৪০৫৭১৮৭ নম্বরে কথা বলতে পারেন। এসএস/আরআইপি