বিনোদন

শ্রোতাদের মুগ্ধ করলেন গুলজার-অমিত

উপমহাদেশের বিখ্যাত কবি, চলচ্চিত্র পরিচালক ও অস্কার বিজয়ী গীতিকার গুলজার শ্রোতা-দর্শকদের মাতিয়ে রাখলেন গভীর রাত অবধি। গতকাল শুক্রবার রাতে রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লুতে এই কিংবদন্তি আবৃত্তি শিল্পী হিন্দি ও উর্দু ভাষার কবিতা আবৃত্তি করেন। এ সময় তিনি বাংলায় কয়েকটি কবিতার পঙ্ক্তি উচ্চারণ করেন।অন্যদিকে কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী, অভিনেতা ও পরিচালক কিশোর কুমারের কালজয়ী কিছু গান শুনিয়ে শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন তার ছেলে সংগীতশিল্পী অমিত কুমার।শুক্রবার বাংলাদেশের ব্যতিক্রমী রিয়েল এস্টেট কোম্পানি লেইজার বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত লেইজার কালমেঘ ভিলা অ্যান্ড কান্ট্রি ক্লাবের ৫টি বিলাসবহুল পুলভিলার মালিকানা তাদের হাতে বুঝিয়ে দেয়া হয়।মালিকানা হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত শিল্পী রুনা লায়লা, নায়ক আলমগীর এবং লেইজার বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ওমর সাদাত ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সারওয়াত সিরাজ। এ মালিকানা হস্তান্তর উপলক্ষেই আয়োজন করা হয়েছিলো সংস্কৃতি অনুষ্ঠানের। এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গুলজার ও অমিত হাজির হয়েছিলেন দেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী রুনা লায়লার বাসায়। সেখানে তারা মেতে উঠেছিলেন আড্ডা আর গল্পে। সেখানে রুনা লায়লা, গুলজার, অমিত কুমারের পাশাপাশি আরো উপস্থিত ছিলেন রুনার স্বামী অভিনেতা আলমগীর, আলমগীরের মেয়ে আঁখি আলমগীর, ভারতের প্রখ্যাত নাট্য নির্দেশক সেলিম আরিফ।রাজধানীর মোহাম্মদপুরে রুনার বাসায় আড্ডা শেষে রুনাকে নিজের লেখা বই উপহার দিয়েছেন গুলজার। এ নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত রুনা লায়লা। তিনি নিজের ফেসবুক ওয়ালে লেখেন, ‘গুলজার সাহেব ও অমিত কুমারজির সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করেছিলাম। বই উপহার পেলাম। এটা অনেক সম্মানের।’এদিকে অনুষ্ঠানে লেইজার বাংলাদেশ থেকে বলা হয়, ‌সবুজ প্রকৃতি আর তার মাঝে একান্ত নিজের এক বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স ভিলা, সাথে সুইমিং পুল আর প্রাণবন্ত বাগান। চোখ মেললেই দেখা যায় অবিরাম সবুজের মোহনীয়তা। আর এই নৈসর্গিক পরিবেশের কেন্দ্রে রয়েছে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাত্র কান্ট্রি ক্লাব। বিলাসবহুল ভিলা আর নান্দনিক কান্ট্রি ক্লাবের অপূর্ব সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে লেইজার বাংলাদেশের অনন্য প্রয়াস লেইজার কালমেঘ ভিলা অ্যান্ড কান্ট্রি ক্লাব।ঢাকার অদূরে গাজীপুরের শ্রীপুরে কালমেঘা রিজার্ভ ফরেস্টের কোল ঘেঁষে ৫২ বিঘা জমির বিশাল পরিসরে মাত্র ৫৫টি ভিলা নিয়ে গড়ে উঠেছে লেইজার কালমেঘ ভিলা অ্যান্ড কান্ট্রি ক্লাব। ৩০০০ থেকে ৫০০০ স্কয়ারফিটের প্রতিটি বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স ভিলার সাথে রয়েছে নিজস্ব সুইমিং পুল। ভিলাগুলো তৈরি  করা হয়েছে সৌখিন শহুরে মানুষদের কাছে বিক্রির জন্য, যারা শহরের কোলাহল থেকে দূরে, অরণ্যের একান্ত সান্নিধ্যে শহুরে সব সুযোগ-সুবিধাসহ নিজের মতো সময় কাটাতে চান।আর এই প্রকল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাত্র কান্ট্রিক্লাব কালমেঘ কান্ট্রি ক্লাব। ১৮ হাজার স্কয়ারফিটের নান্দনিক এই ক্লাব হাউসে রয়েছে আন্তর্জাতিক মানের সব সুযোগ-সুবিধা। অলিম্পিক মাপের সুইমিংপুল, হেলিপ্যাড, থাই পরিচালিত স্পা, স্টিম, সনা, জাকুজি, অত্যাধুনিক জিম, শিশুদের খেলার জায়গা, সিনেমা হল, চমৎকার পাঠাগার, আধুনিক ক্যাফে, আন্তর্জাতিকমানের রেস্তোরাঁ, বিশাল খেলার মাঠ, মনোমুগ্ধকর লেক, গলফ পার্টিং গ্রিন, টেনিস কোর্ট এবং কনভেনশন হল।কান্ট্রি ক্লাবের বিশেষ আকর্ষণ হচ্ছে ভিলা মালিকরা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাচ্ছেন এই ক্লাবের মেম্বারশিপ।কালমেঘ ভিলা অ্যান্ড কান্ট্রি ক্লাব প্রকল্পের জন্য লেইজার বাংলাদেশ লিমিটেড ইতোমধ্যে জিতে নিয়েছে যুক্তরাজ্য থেকে এশিয়া প্যাসিফিক প্রপার্টি অ্যাওয়ার্ড এবং বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম অ্যাওয়ার্ড। প্রকল্পটিতে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। এলএ/আরআইপি