ঢাকা মেডিকেল থেকে আমাকে গত বছরের ৪ এপ্রিল প্রথম দফা ছাড় পত্র দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। তারপর আবার ২য় দফা যাই এবং ৮ দিন থাকার পর চলে আসি। এখনও পর্যন্ত আমি পুরোপুরি সুস্থ হইনি। আমি কোনো কাজ করতে পারি না। এই চিকিৎসা বাবদ আমার প্রায় ৫ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। এই ভাবেই সাইফুল তার কষ্টের কথাগুলো বলতে বলতে কেঁদে ফেলেন। ঝিনাইদহের ভাইট বাজারের আহাসান নগরের মৃত মতলেবুর রহমানের ছেলে ভুক্তভুগি সাইফুল ইসলাম বলেন, গত বছর ১৪ই মার্চে আমি ধানের বস্তা উঠাতে গিয়ে কোমরে প্রচণ্ড ব্যথা পায়। তারপর ১৭ তারিখে সন্ধ্যার দিকে ভাটই বাজারে অশিতের চেম্বারে যাই। সবকিছু শুনে ডাক্তার অশিত বলেন কোনো সমস্যা হবে না। মাত্র ৩ টি ইনজেকশন নিতে হবে তাই বলে সে আমাকে ২ টি ইনজেকশন দেয়। আমি বাড়ি ফিরে আসার পর পেটে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভাব করি। রাত ৩ টার দিকে আমার মুখ দিয়ে মল বের হতে থাকে। এই আবস্থায় ১৮ তারিখে সকাল বেলা আমাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করলে সদর হাসপাতালের ডাক্তার আমাকে না দেখেই বলে যে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডাক্তাররা আমাকে দেখে পরীক্ষা করে বলন ব্যথার ভুল চিকিৎসার কারণে পেটের নাড়ি ছিদ্র হয়ে গেছে। এক মাত্র আল্লাহর রহমত ছাড়া এই রোগী বাঁচানো সম্ভব হবে না।এ বিষয়ে আরেক ভুক্তভোগী জানান, ভাইট বাজারে ব্রাদার্স ফার্মেসীর মাধ্যমে অশিত ও অশিতের বাবা অজিত এই ভাবে বছরের পর বছর পল্লী চিকিৎসক সেজে দিনের পর দিন চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছে। হাতিয়ে নিচ্ছে চিকিৎসার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা।এফএ/এমএস