দেশজুড়ে

চাঁদপুরে প্রিজাইডিং অফিসারকে মারধর, ব্যালটবাক্স ছিনতাই

চাঁদপুরে দুই উপজেলার ১৮ ইউনিয়নে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচন চলছে। এ সময় বিভিন্ন কেন্দ্রে সংঘর্ষ, প্রিজাইডিং অফিসারকে মারধর, ব্যালটসহ বাক্স ছিনতায়ের ঘটনা ঘটেছে। এসব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ১৩ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়েছে। এছড়াও দুটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।চাঁদপুরের সদরের শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের লোধেরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের ব্যালটবাক্স ও ব্যালট পেপার ছিনতাই করার সময় পুলিশ বাঁধা দিলে সংঘর্ষ হয়। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৩ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এতে কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করে দেয়া হয়। অপরদিকে সদরের চান্দ্রা ইউনিয়নের দাক্সন বালিয়া নরসিংপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ দলীয় দুই মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এ সময় ২টি বোমা বিস্ফোরিত হয়। তবে এতে কেউ আহত হয়নি। এ পরিস্থিতিতে প্রিজাইডিং অফিসার আতিকুর রহমান কেন্দ্রটি বন্ধ করে দেয় বলে তিনি জাগো নিউজকে জানান। এদিকে হাইমচর উপজেলার চরভৈরভী ইউনিয়নের ৫নং আজিজিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার এম মান্নাফকে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকরা মারধর করে ব্যালটবাক্স ও ব্যালট পেপার ছিনতাই করার অভিযোগে কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে বলে প্রিজাইডিং অফিসার জাগো নিউজকে জানিয়েছেন। এখনো বিভিন্ন কেন্দ্রে সংঘর্ষ চলছে। চাঁদপুরের পুলিশ সুপার শামছুন্নাহার জাগো নিউজকে জানান, চাঁদপুরের দুই উপজেলার মোট ১৭৬টি কেন্দ্রের মধ্যে সবগুলোকেই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। যদিও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে মোট ১৩৭ কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪২টি কেন্দ্র বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে পড়েছে। মাত্র ৩৯টি কেন্দ্রকে সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে সনাক্ত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।এসব কেন্দ্রে ৪ হাজার ৭শ ৭০জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে কাজ করছে। এদের মধ্যে ৪৫ সদস্যের ৯ প্লাটুন বিজিবি, ৪৮ জন র‌্যাব, পুলিশ ১৩শ ১৪ জন। এছাড়া ৬ জন নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট ও ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে কাজ করছেন।ইকরাম চৌধুরী/এফএ/এমএস