আইন-আদালত

চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদার শুনানি ৭ এপ্রিল

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির অভিযোগে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৭ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন আদালত।বৃহস্পতিবার রাজধানীর বকশিবাজার আলীয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক আবু আহমেদ জমাদার এই  আদেশ দেন।খালেদা জিয়া ছাড়াও এ মামলায় জামিনে থাকা অন্য দুই আসামিরা হলেন; জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও মনিরুল ইসলাম খান।এর আগে খালেদা জিয়ার পক্ষে অসুস্থতার কারণে হাজির না হওয়ার আবেদন করেন তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া ও আব্দুর রেজ্জাক খান। এছাড়া তদন্ত কর্মকর্তার নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ও মামলা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে খালেদার আবেদনের উল্লেখ করে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখার আবেদন জানান তারা। এ মামলার ৩২তম ও শেষ সাক্ষী হিসেবে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর রশিদকে আসামিপক্ষের জেরার মধ্য দিয়ে শেষ হয় মামলার জেরার কার্যক্রম।এসময় আসামি মনিরুল ইসলাম খানের পক্ষে হারুন-অর রশিদকে অসমাপ্ত জেরা করেন মনিরুল ইসলামের আইনজীবী টিএম আকবর। একইসঙ্গে আসামিপক্ষে তাদের পক্ষে কোনো সাফাই সাক্ষী নেই বলেও জানান। পরে ৭ এপ্রিল এ মামলার ৩ আসামিকে ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আত্মপক্ষ সমর্থনের দিন ধার্য করে তাদেরকে হাজির থাকতে নির্দেশ দেন।২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা দায়ের করা হয়। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে এ মামলা দায়ের করে দুদক।অন্যদিকে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা দায়ের করে দুদক। এতিমদের সহায়তা করার উদ্দেশ্যে একটি বিদেশি ব্যাংক থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ এনে এ মামলা দায়ের করা হয়।এফএইচ/এসকেডি/আরআইপি