পেকুয়া উপজেলার টইটং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা শহিদুল্লাহ বিএকে ছেড়ে দিয়েছে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্ত্বরা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পাশে চকরিয়ার বরইতলী একতা বাজারের অদূরে মুখে কালো কাপড় বেঁধে ফেলে দিয়ে চলে যায় তারা। পরে অপহৃত শহীদ চেয়ারম্যান স্থানীয়দের সহায়তায় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় উঠে পেকুয়া থানায় যান। উল্লেখ্য, গত ২৯ মার্চ রাত সাড়ে ১০টার দিকে টইটংয়ের জালিয়ারচাং এলাকার রাস্তার মাথা এলাকা থেকে অপহৃত হন শহিদুল্লাহ বিএ। অপহরণের পর শহিদুল্লাহর স্ত্রী অভিযোগ করে আসছিলেন, তার স্বামীর বিজয় ঠেকাতে প্রতিপক্ষ জাহেদ চৌধুরী অস্ত্রধারীদের ভাড়া করে এনে অপহরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। অবশ্য পর দিন ৩০ মার্চ অপহৃত শহিদের স্ত্রী সেলিনা আকতার সেলি বাদী হয়ে পেকুয়া থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেছেন (মামলা নং-৯)। মামলায় আসামি করা হয় টইটং ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী, তার ভাই মনিরুল ইসলাম চৌধুরী, মগনামা ইউনিয়নের কাজী মার্কেট এলাকার মনিরুল হকের ছেলে লিটন, টইটং ইউনিয়নের মুধ হাজির পাড়া গ্রামের ছাবের আহমদের ছেলে আবুল কালাম, ঝুম পাড়া গ্রামের মো. হোছাইনের পুত্র আ. জলিল, চকরিয়া বরইতলী মোজাহের পাড়া এলাকার মৃত উকিল আহমদের পুত্র নজরুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার রাতে অপহৃত শহিদুল্লাহ সাংবাদিকদের জানান, তাকে গত ২৯ মার্চ একদল অস্ত্রধারী জোর করে অপহরণ করে গহীন অরন্যে একটি বাড়িতে আটকে রাখে। ৩১ মার্চ তার বিজয় ঠেকাতে প্রতিপক্ষ প্রভাবশালী ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর সরাসরি সহায়তায় তাকে অপহরণ করা হয়েছিল বলে তিনি অভিযোগ করেন। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (রাত ১১টা) অপহৃত শহিদ চেয়ারম্যানকে পেকুয়া থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছিল। সায়ীদ আলমগীর/একে