অর্থনীতি

ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানকে জামানত ছাড়া কৃষিঋণ প্রদানের পরামর্শ

কৃষিঋণ প্রধানের ক্ষেত্রে ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে (এমএফআই) ঋণ গ্রহীতার জামানত না নিতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথোরিটিকে পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।রোববার রাজধানীর মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংক কার্যালয়ে আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় সভায় এ পরামর্শ দেওয়া হয়।সভায় নতুন গভর্নর ফজলে কবির উপস্থিত ছিলেন। এসময় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি), মা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ), রেজিস্টার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস (আরজেসি) এবং মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির (এমআরএ) প্রতিনিধিরা অংশ নেন।সমন্বয় সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা বলেন, এমএফআই লিঙ্কেজের মাধ্যমে যে ঋণটুকু কৃষিতে যায় সেটা আগে ১৩ শতাংশ সুদে দেয়া হত। কিন্তু তা অনেক আগেই কমিয়ে ১১ শতাংশে নিয়ে আসা হয়েছে। এনজিওগুলো এটা বাস্তবায়ন শুরু করেছে, ২৫ শতাংশ ইতোমধ্যেই করা হয়েছে। আবার এসব ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে জীবন বীমা-কমপলসরি সেভিংসের নামে যে টাকাগুলো রাখতে বলা হয় সেটা পরিহার করতে বলা হয়েছে।তিনি বলেন, আর্থিক খাতের যে সব রেগুলেটর আছে তাদের নিয়ে আজকে একটি সমন্বয় সভা হয়েছে, প্রতি তিনমাস পরপরই এ সভা হয়। বন্ড মার্কেটের ডেভেলপমেন্ট নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ মার্কেটটা আমাদের দেশে সেভাবে উন্নয়ন হয়নি। বন্ডের ক্ষেত্রে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি ভূমিকা আছে। এজন্য প্রথমদিকে কর মওকুফের যদি সুবিধা দেওয়া হয়, সেটি ভালো। এ ব্যাপারে এর আগে আমরা এনবিআরকে পত্র দিয়েছিলাম। সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।শুভংকর সাহা বলেন, আইডিআরএ একটি সার্কুলারে বলা ছিল, বীমা কোম্পানি তাদের মোট জামানতের ২ শতাংশের বেশি কোনো একক আর্থিক প্রতিষ্ঠানে এবং একাধিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সবমিলিয়ে ১৫ শতাংশের বেশি জমা রাখতে পারবে না। তবে ব্যাংকের ক্ষেত্রে এ সীমাটা আরেকটু বেশি। এখানে সীমাটা নিয়ে পুনর্গঠনের প্রস্তাব ছিল, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।এছাড়া সিম রি-রেজিস্ট্রেশনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে আমাদের মনে হয় মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিস নিরাপদ হবে। এর অগ্রগতির বিষয়ে আমরা বিটিআরসির কাছে জানতে চেয়েছিলাম, তাদের একজন প্রতিনিধি উপস্থিত কথার থাকলেও আসতে পারেননি। আমরা এ বিষয়ে পত্র দেবো হয়তোবা।এসআই/একে/এবিএস