স্টেক হোল্ডারদের তৎপরতায় অবশেষে ঘুরে দাঁড়িয়েছে দেশের শেয়ারবাজার। সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার দেশের উভয় শেয়ারবাজারে সূচকের সঙ্গে বেড়েছে টাকার অংকে লেনদেনের পরিমাণ। একই সঙ্গে বেড়েছে লেনদেন হওয়ার বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের। এ নিয়ে টানা তিন দিন বাড়লো মূল্যসূচক।সংশ্লিষ্টরা বলেন, ধারাবাহিক দরপতন ঠেকাতে স্টেক হোল্ডারদের নিয়ে গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ জরুরি বৈঠক করে। বৈঠকে পতন ঠেকাতে একগুচ্ছ প্রস্তাব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সরকার থেকে বর্তমান শেয়ারবাজারের পরিস্থিত উন্নয়নের নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের পরামর্শ দেয়। এর পর থেকেই বাজার ঊর্ধ্বমুখীতে হয়।বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সোমবার দিনশেষে দেশের প্রধান বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ৫২ পয়েন্ট বেড়ে চার হাজার ৪৩১ পয়েন্টে অবস্থান করছে এবং শরীয়া সূচক ডিএসইএস ১০ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৬৮ পয়েন্ট এবং ডিএস৩০ সূচক ২৭ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৬৭৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে।দিনশেষে টাকার অংকে লেনদেন হয়েছে ৪৯০ কোটি ৩৯ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। যা গত কার্যদিবসের চেয়ে ১১৭ কোটি টাকা বেশি। রোববার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৩৭৩ কোটি টাকা।ডিএসইতে ৩২১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৯৫টির, কমেছে ৮৭ টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের।দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএসসিএক্স ১০৮ পয়েন্ট বেড়ে ৮ হাজার ২৯১ পয়েন্টে অবস্থান করছে। সিএসই৫০ সূচক ১৬ পয়েন্ট বেড়ে ৯৮৮ পয়েন্টে, সিএসই৩০ সূচক ২৩৬ পয়েন্ট বেড়ে ১২ হাজার ৩০৩ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই ১৭৪ পয়েন্ট বেড়ে ১৩ হাজার ৬৪৯ পয়েন্টে এবং সিএসআই ১০ পয়েন্ট বেড়ে ৯৩৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে।সিএসইতে মোট ২৪৮টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৫০টির, কমেছে ৭১টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৭টি কোম্পানির শেয়ার। টাকার অংকে লেনদেন হয়েছে ৪২ কোটি ২১ লাখ টাকা।এসআই/এআরএস/আরআইপি