জাতীয়

ইউপি নির্বাচনে সহিংসতার ঘটনায় ইসির পদক্ষেপ দুর্বল

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ব্যাপক সহিংসতা ও সন্ত্রাসের ঘটনার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পদক্ষেপ দুর্বল মনে হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা। তাই দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনেও ব্যাপক সহিংসতা ও সন্ত্রাসের ঘটনায় বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা এক বিবৃতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।দ্বিতীয় পর্যায়ের নির্বাচনে দেশের বিভিন্ন স্থানে এ পর্যন্ত ১০ জন নিহত হয়েছেন। নির্বাচনের প্রথম পর্যায়ে নিহত হয়েছিল ২১ জন এবং আহত হয়েছেন এক হাজার ৫৩৬ জন। বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মোস্তফা সোহেল স্বাক্ষরিত ও ফাতেমা ইয়াসমিনের পাঠানো লিখিত প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সিগমা হুদা বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনকে আরো কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। নির্বাচনে দুই দফাতেই সরকার দলীয়দের সুস্পষ্ট প্রভাব, কেন্দ্র দখল, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের হুমকি, মারধর, সন্ত্রাস ও সহিংসতার বিষয়ে কমিশনের পদক্ষেপ দুর্বল মনে হয়েছে।সিগমা হুদা বলেন, সাংবিধানিকভাবে স্বাধীন নির্বাচন কমিশনকে কেউ সরকারের পুতুল হিসেবে দেখতে চায় না, বরং  তারা দল, মত নির্বিশেষে সকলের প্রভাবমুক্ত হয়ে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করার লক্ষ্যে আরো শক্ত পদক্ষেপ নেবেন। তিনি আমাদের প্রতিবেশি দেশগুলোর কাছ থেকেও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার শিক্ষাগ্রহণের আহ্বান জানান।তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন পূর্ণ শক্তি ও সামর্থ্য নিয়ে যথাযথভাবে তাদের সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োগ করলে পরিস্থিতি হয়তো আরো ভালো হতে পারতো। তিনি আশা করেন, আগামী দিনগুলোতে সবার পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে দেশে সত্যিকার অর্থে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অর্থপূর্ণ স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।উল্লেখ্য, বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা প্রথম পর্বের নির্বাচনে দোহার, টাঙ্গাইল, ঝিনাইদহ, সিলেট ও খুলনার বিভিন্ন ইউনিয়নে নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ করেছে।এফএইচ/বিএ