অর্থপাচারের অভিযোগে করা মামলায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে দুদকের করা আপিল শুনানির জন্য আগামী ৪ মে দিন ধার্য্য করেছেন হাইকোর্ট।দুদকের করা আবেদনের শুনানি করে বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি আমির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ দিন ধার্য্য করেন। আদালতের শুনানিতে দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।তিনি সাংবাদিকদের বলেন, তারেক রহমান বিচারিক আদালতেও পলাতক ছিলেন। এখনো তিনি আইনের দৃষ্টিতে পলাতক। কারণ আদালতের আদেশে নোটিশ জারি এবং পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার পরও তিনি হাজির হন নি বা আদালতের আদেশ প্রতিপালন করেন নি। পরে আদালত শুনানির জন্য ৪ মে দিন ধার্য্য করেন। ওই দিন তারেক রহমানের সঙ্গে তার বন্ধু সাজাপ্রাপ্ত গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের আপিলেরও শুনানি হবে। এর আগে ২০১৪ সালের ১৯ জানুয়ারি অর্থপাচার মামলায় তারেক রহমানের খালাস পাওয়ার রায়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা আপিলের পর তাকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। গত ১২ জানুয়ারি ফের বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।২০১৩ সালের ১৭ নভেম্বর তারেক রহমানকে বেকসুর খালাস দিয়ে তার বন্ধু গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে অর্থপাচার মামলায় ৭ বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালত।রায়ে কারাদণ্ডের পাশাপাশি মামুনকে ৪০ কোটি টাকা জরিমানাও করা হয়। পাচার করা ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৬১৩ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দেন আদালত।এ রায়ের বিরুদ্ধে ওই বছরের ৫ ডিসেম্বর আপিল করে দুদক। ২০১৪ সালের ১৯ জানুয়ারি এ আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে তারেক রহমানকে বিচারিক আদালতে আত্মসমপর্ণের আদেশ দেন হাইকোর্ট।এফএইচ/এএইচ/পিআর