টাঙ্গাইলের সখীপুরে নিখোঁজের পাঁচদিন পর আতিক হাসান (১৪) নামের এক স্কুলছাত্রের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুরে ঘাটাইল উপজেলার দেওপাড়া এলাকার শালবন থেকে ওই স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত আতিক হাসান সখীপুর উপজেলার কুতুবপুর রওশন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্র ছিল। সে কুতুবপুর গ্রামের প্রবাসী বিলাল হোসেনের ছেলে। পুলিশ আতিক হাসানের দুই বন্ধুকে গ্রেফতার করেছে। তারা হলো, একই গ্রামের জুলহাস উদ্দিনের ছেলে রাছেল (১৮) ও আবদুল গণি মিয়ার ছেলে ওয়াসিমকে (১৫) ।এ ঘটনায় নিহত আতিকের মা আয়শা বেগম ঘাটাইল থানায় হত্যা মামলা করেছেন।পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, আতিক হাসান শনিবার সকালে বিদ্যালয় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে গিয়ে আর ফিরে আসেনি। ছেলেকে খুঁজে না পেয়ে মা আয়শা বেগম সোমবার সখীপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। সখীপুর থানা পুলিশ মঙ্গলবার নিখোঁজ আতিককে উদ্ধারে তার দুই বন্ধু রাছেল ও ওয়াসিমকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার করে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার দুপুরে সখীপুর ও ঘাটাইল থানা পুলিশ ঘাটাইল উপজেলার দেওপাড়া এলাকার শালবন থেকে আতিক হাসানের মরদেহ উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে ঘাটাইল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামাল হোসেন বলেন, নিহত আতিক ও তার বন্ধুদের মধ্যে মোবাইল ফোনের ভিডিও ক্লিপ নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল। এরই জের ধরেই আতিককে বন্ধুরা শ্বাসরোধ ও গলাকেটে হত্যা করে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।কুতুবপুর রওশন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শুকুর মামুদ বলেন, আতিক মেধাবী ছাত্র ছিল। এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকাবাসী এবং তার সহপাঠী ও শিক্ষকদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আতিকের চাচা সজীব আহমেদ বলেন, পুত্র শোকে আতিকের মা বাবা বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। এমএএস/পিআর