প্রতি বছরের মত এবারও পুরান ঢাকার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে বর্ষবরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি)। এরই মধ্যে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান প্রাথমিক সভা করেছেন।জানা গেছে, এবার জবির বর্ষবরণ বিগত বছরের চেয়ে বড় পরিসরে হচ্ছে। এবার বর্ষবরণ উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।প্রথম দিনে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সকাল ৯টায় মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হবে। মঙ্গল শোভাযাত্রাটি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে রায়সাহেব বাজার, তাঁতী বাজার মোড়, বংশাল, সুন্দরবন স্কয়ার, নবাবপুর হয়ে ক্যাম্পাসে ফিরে আসবে। এবারের শোভাযাত্রার মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে কচ্ছপ। এছাড়াও শোভাযাত্রায় পুতুল, পাখি, বাঘের মুখোশ, পেঁচার মুখোশ, পাখির মুখোশ, রাজা-রানীর মুখোশ, ঘোড়া ও অন্যান্য লোকজ ঐতিহ্য উপস্থাপন করা হবে।দ্বিতীয় দিনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত বৈশাখী মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, আই ই আর প্রাঙ্গণ ও জবিতে অায়োজন করা হবে।বর্ষবরণ উপলক্ষে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীনতম বিভাগ চারুকলার শিক্ষার্থীরা। চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা তৈরি করছে নানা রঙের মুখোশ, মাছ, ময়ূর, দোয়েল, কোয়েল, মাটির হাঁড়ি-পাতিলসহ গ্রামবাংলার বিভিন্ন পশুপাখির নৈসর্গিক দৃশ্য। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, পুরান ঢাকা বাংলার ইতিহাস-ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এক সময় ঢাকার প্রাণকেন্দ্র ছিল পুরান ঢাকা। কিন্তু কালক্রমে এখানকার উৎসবগুলো নতুন ঢাকামুখী হয়ে পড়েছে। আমরা চেষ্টা করছি পুরান ঢাকার উৎসবপ্রবণ মানুষদের সহযোগিতায় সে ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে।এসএম/একে/এবিএস