বাংলা নববর্ষ ১৪২৩ উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী বৈশাখী উৎসব। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে শহরের ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত ভাষা চত্বরে আয়োজিত এ উৎসবের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ড. মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন।উৎসবের সার্বিক সহযোগীতায় রয়েছে দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠি প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের ভোগ্য পণ্য ‘ফ্রুটিক্স’ ম্যাংগো ফ্রুট ড্রিংক। এছাড়া মিডিয়া পার্টনার হিসেবে রয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘জাগো নিউজ২৪.কম’ ও ‘জাগো এফএম’।সাহিত্য একাডেমির উপদেষ্টা অ্যাড. আবু তাহেরের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, বিশিষ্ট কবি ও লেখক প্রফেসর মোহাম্মদ আশরাফ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আরজু প্রমুখ।অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পাকিস্তান শাসনামলে পহেলা বৈশাখকে ‘হিন্দুয়ানা উৎসব’ আখ্যায়িত করে পালন করতে দেয়া হতো না। কিন্তু পহেলা বৈশাখ এখন সার্বজনীন উৎসব, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষ এটি এখন বাঙালির প্রাণের উৎসবে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে এই প্রাণের উৎসবে মেতে ওঠেন।পরে উদ্বোধনী আলোচনা সভা শেষে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে ভাষা সাহিত্য ও অনুশীলন কেন্দ্রের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।উৎসব উপলক্ষে ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত ভাষা চত্বর প্রাঙ্গণে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ২৩টি স্টল সাজানো হয়েছে। এতে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের ছয়টি স্টল রয়েছে। এর মধ্যে ‘ফ্রুটিক্স’ ম্যাংগো ফ্রুট ড্রিংকের একটি, আরএফএল প্লাস্টিকের দুইটি, দুরন্ত বাইসাইকেলের একটি, টপার প্রেশার কুকারের একটি এবং ভিশন ইলেক্ট্রনিক্সের একটি স্টল রয়েছে। প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের সকল স্টলে আগত দর্শনার্থীদের জন্য রয়েছে বিশেষ ছাড়।উৎসবের প্রথম দিনেই দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। আগামী সাতদিন পর্যন্ত চলবে এই বৈশাখী উৎসব।আজিজুল আলম সঞ্চয়/এআরএ/এবিএস