দেশজুড়ে

তাড়াশে স্কুল শিক্ষককে কুপিয়ে জখম

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় তৃতীয় দফায় ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় এক স্কুল শিক্ষককে কুপিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষরা। এ ছাড়াও নির্বাচনে ভোট কারচুপিতে বাঁধা দেয়ায় বেলকুচিতে স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতার বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে।গুরুতর আহত ওই স্কুল শিক্ষক আব্দুল খালেককে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এলাকাবাসী জানান, শনিবার রাতে উপজেলার মথুরাপুর গ্রামের বিজয়ী মেম্বার প্রার্থী আক্তার হোসেনের সমর্থকরা পরাজিত মেম্বার প্রার্থী আব্দুল মালেকের সমর্থক স্কুল শিক্ষক আব্দুল খালেকের উপর হামলা করে। এসময় তারা ধাঁরালো অস্ত্র দিয়ে তাকে মারাত্বকভাবে আহত করে পালিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনিত হলে রোববার সকালে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।এব্যাপারে তাড়াশ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, ঘটনার পর এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আর যেন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সে জন্য এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।      এদিকে শনিবার বেলকুচি উপজেলার ভাঙ্গাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন চলাকালে ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী আবু সাইদ ও তার সমর্থকেরা ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে ভোট ডাকাতির চেষ্টা করে। এ সময় স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা ও পল্ল­ী চিকিৎসক ইকবাল হোসেন তাকে বাধা দেন। এ সময় দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জের ধরে শনিবার গভীর রাতে আবু সাইদ তার দলবল নিয়ে ইকবালের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় তারা ইকবালের বাড়িঘর ভাঙচুরসহ নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন ইকবাল হোসেন।এ ব্যাপারে বেলকুচি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে এখনো থানায় কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বাদল ভৌমিক/এফএ/পিআর