দেশজুড়ে

হুমকি-ধামকিতে ব্যাহত হচ্ছে ঝিনাইদহের নির্বাচনী প্রচারণা

রাজনৈতিক চাপ, হত্যার হুমকী ও দলীয় ক্যাডারদের ভয়ে গণসংযোগে নামতে পারছে না স্বতন্ত্র ও বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থীরা। এমনই অভিযোগ পাওয়া গেছে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী এলাকায়। একে অপরের প্রতি পাল্টাপাল্টি বিভিন্ন অভিযোগের মধ্যে দিয়ে চলছে এ নির্বাচনী প্রচারণা। তবে জয়ের ব্যাপারে সবাই আশাবাদী হলেও সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যাপারে কেউ কেউ প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন। পেড়াহাটি ইউনিয়নের বিএনপি প্রার্থী রোকুনুজ্জামান রোকন ও দোগাছী ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী ফয়েজউদ্দীন ফয়েজ জানান, রাতের অন্ধকারে স্বতন্ত্র ও বিএনপি প্রার্থী ও কর্মী সমর্থকদের বাড়িতে অচেনা লোক পাঠিয়ে হুমকি দেয়া হচ্ছে। সরকারি দলের চাপে তারা একেবরেই নির্বাচনী প্রচার-প্রচরণায় নামতে পারছেন না। এদিকে টাকার বিনিময়ে তার নৌকা প্রতীক কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন হরিশংকরপুরের স্বতন্ত্র প্রার্থী ফরিদ। তবে হরিশংকরপুরের আওয়ামী লীগ প্রার্থী মাসুম বাবু জানান, প্রচণ্ড গরম উপেক্ষা করে প্রচারণা চালাতে হচ্ছে। ভোর থেকে রাত পর্যন্ত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন তারা।ঝিনাইদহ সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান হাফিজুর রহমান নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন। তিনি প্রার্থীদের হুমকী ও নির্বাচনে কতিপয় মহলের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ সম্পর্কে বলেন, এ বিষয়ে কেউ সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করলে তিনি ব্যবস্থা নেবেন। জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, ৪র্থ দফায় ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নের মধ্যে ৮টি ইউনিয়নে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে সীমানা জটিলতার কারণে সুরাট ইউনিয়নের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৩০ জন, সদস্য পদে ১৮৫ জন এবং নারী ইউপি সদস্য পদে ৫০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আগামী ৭ মে ৮৫টি কেন্দ্রে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।আহমেদ নাসিম আনসারী/এফএ/এবিএস