দেশজুড়ে

এক জমিতে চার ফসল!

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জের কৃষক নিহার রঞ্জন। তিনি জমিতে বছরে চার ফসল ফলান। বছরের শুরুতে আমন পরে সরিষা। এরপর মুগডাল তারপর আউশ আবাদ করেন। ১৬ মার্চ ৩৫ শতক জমিতে বারি মুগ-৬ বপণ করে ১৬ মে কর্তন করেন। ৬২ দিনে ঘরে ফসল তুলতে পেরে খুশি তিনি। পেয়েছেনও ৪ মণ ডাল। শুধু নিহার রঞ্জন নন স্বল্পমেয়াদি আমন-সরিষা অথবা আলু-মুগডাল-আউশ শস্য বিন্যাসের আওতায় মুগডাল প্রদর্শনী করেছেন জেলার ৩৫০ জন কৃষক। সোমবার বিকেলে কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের উত্তর বড়ভিটা গ্রামে আনুষ্ঠানিকভাবে মুগডালের শষ্য কর্তন উপলক্ষে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও আরডিআরএস বাংলাদেশর আয়োজনে এবং কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশন (কেজিএফ) ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের (ডিএই) সহযোগিতায় মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর নীলফামারীর উপ-পরিচালক গোলাম মোহাম্মদ ইদ্রিস। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন কিশোরগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার এনামুল হক। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন আরডিআরএস বাংলাদেশর কৃষি ও পরিবেশ সমন্বয়কারী মো. মামুনুর রশিদ। অন্যান্যের মধ্যে মাঠ দিবসের অনুষ্ঠানে বড়ভিটা ইউনিয়ন ফেডারেশনের কৃষক ফোরাম সভাপতি ব্রজেন রায়, আরডিআরএস নীলফামারীর কৃষি অফিসার শরিফা পাশা, প্রকল্পের গবেষণা সহযোগী মহিদুল ইসলাম ও গবেষণা সহকারী এনামুল হক উপস্থিত ছিলেন। মাঠ দিবসের মাধ্যমে অতিথিরা কৃষক নিহার রঞ্জনের মুগডাল আনুষ্ঠানিকভাবে কর্তন উদ্বোধন করলেও তারপর থেকে জেলা জুড়ে শুরু হয়েছে মুগডাল কর্তন। আরডিআরএসর কৃষি ও পরিবেশ সমন্বয়কারী মামুনুর রশিদ জাগো নিউজকে জানান, চলতি বছর জেলায় স্বল্পমেয়াদি আমন-সরিষা অথবা আলু-মুগডাল-আউশ শস্য বিন্যাসের আওতায় ৩৫০ জন কৃষক ৩৫০বিঘা জমিতে বারিমুগ-৬ এবং বিইউ মুগ-৪ এর প্রদর্শনী প্লট স্থাপন করেছেন। জাহেদুল ইসলাম/এসএস/আরআইপি