ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. ক্যাম্পাস

বিটেকে আটক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে কোর্টে চালান

প্রকাশিত: ০৯:২৪ পিএম, ১৫ আগস্ট ২০১৬

টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (বিটেক) ক্যাম্পাস থেকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক হওয়া ব্যক্তি সাইফুল্লাহকে জেলা দায়রা জজ ও ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে চালান করেছে কালিহাতি থানা পুলিশ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আশরাফ উদ্দীন খান জানান, "সাইফুল্লাহর অভিভাবকের (বাবা) সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। তিনি কালিহাতি থানায় এসেছিলেন। তাদের বাসা নাটোরের কান্দিভিটোয়া গ্রামে। তার বাবা মাদ্রাসার শিক্ষক। নাম আবু তালেব। সাইফুল্লাহর বড় এক ভাই এবং ছোট দুই ভাই রয়েছে। বড় ভাই হাফেজ রুহুল আমিন ঢাকার শ্যামলী মসজিদের ইমাম এবং ছোট দুই ভাই সিবগাতুল্লাহ ও আবদুল্লাহ নাটোরের স্থানীয় কলেজে পড়াশুনা করে।"

সাইফুল্লাহর বাবা পুলিশকে বলেছেন, সাইফুল্লাহ মানসিক রোগী। বছর তিনেক আগে টাঙ্গাইল শহরের এক মাদ্রাসায় পড়াশুনা করে সে। পরে ওই মাদ্রাসাতেই শিক্ষকতা করে কিছুদিন। শিক্ষকতা করা অবস্থায়ই হঠাৎ করেই তার মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। তখন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তাকে ছাটাই করে দিলে সে নাটোরে ফিরে আসে।

বেশ কিছুদিন পর পরিবার থেকে তাকে বিয়ে করানো হয়। তার স্ত্রী এখন অন্তঃসত্ত্বা। সে ছিল বেকার। তার চাকরি করার ইচ্ছে থাকলেও পরিবার তাকে চাকরি করতে দিতে চায়নি। একদিন হঠাৎ করেই চাকরি খোঁজার কথা বলে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য রাখা নগদ ৩৭ হাজার টাকা চুরি করে সে বাসা থেকে পালিয়ে টাঙ্গাইলে চলে আসে। এরপর ঘটনাক্রমে বিটেকে এসে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক হন।

এসআই আশরাফ উদ্দীন খান আরো জানান, "তার পরিবারের সবাই ধর্মানুরাগী। সাইফুল্লাহর আগে কোনো পুলিশি রেকর্ড নেই। নগদ টাকা ও আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র সাইফুল্লাহর বাবাকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে অধিকতর তদন্তের জন্যে আমরা সাইফুল্লাহকে টাঙ্গাইল জেলা দায়রা জজ ও ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে পাঠিয়েছি।"

উল্লেখ্য, গত বুধবার (১০ আগস্ট) বিটেক ক্যাম্পাসে চলাফেরা করার সময় সাইফুল্লাহর গতিবিধি ও কথাবার্তা সন্দেহজনক মনে হলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও নিরাপত্তা কর্মীরা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।

বিএ