ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. ক্যাম্পাস

পবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান ধর্মঘট

প্রকাশিত: ০১:০৭ পিএম, ২১ মার্চ ২০১৭

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের হাতে শিক্ষক লাঞ্ছিত আর শিক্ষকের হাতে শিক্ষার্থী লাঞ্ছিত হওয়ার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ পাওয়া গেছে।

তবে শিক্ষক কর্তৃক শিক্ষার্থী লাঞ্ছিত হওয়ার অভিযোগ এনে মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান ঘর্মঘট শুরু করে শিক্ষার্থীরা।

জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ৭ম সেমিস্টারের শিক্ষার্থীরা প্রবেশন (একাধিক বিষয়ে ফেলের মাধ্যমে সৃষ্ট) বাতিলের দাবিতে ক্লাস বন্ধ করে আন্দোলন শুরু করে।

এ সময় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের মূল ফটকসহ সবকটি প্রবেশপথে তালা লাগিয়ে বন্ধ করে দেয়। এতে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে অবস্থানরত শিক্ষক কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

ফলে বন্ধ হয়ে যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম। একপর্যায়ে শিক্ষক  মাহাবুব মোর্শেদ খান প্রশাসনিক ভবন থেকে বাহির হলে তাকে নিয়ে শিক্ষার্থীরা টানাহেঁচড়া শুরু করে এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে।

এ সময় শিক্ষক মাহাবুবকে শিক্ষার্থীদের হাত থেকে রক্ষার জন্য ভাষা ও যোগাযোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মেহেদী হাসান এবং উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রাশেদ মল্লিক ছুটে আসলে তাদের দুইজনকেও শিক্ষার্থীরা লাঞ্ছিত করে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শিক্ষক মাহাবুব প্রশাসনিক ভবন থেকে বের হয়ে তিন ছাত্রীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। তখন ছাত্ররা ছাত্রীদের রক্ষায় এগিয়ে গেলে চার ছাত্রকে ওই শিক্ষক লাঞ্ছিত করে।

অভিযুক্ত শিক্ষক এবিএম মাহাবুব মোর্শেদ খান বলেন, ওদের আন্দোলনের সময় প্রশাসনিক ভবন থেকে কাউকে বের হতে দিচ্ছিল না। আবার কেউ ভেতরে প্রবেশ করলে তাকে বাধা দেয়নি। আমি জরুরি প্রয়োজনে বাহিরে বের হচ্ছিলাম। তখন ছেলে-মেয়েরা আমাকে বাধা দেয়। আমি ওদের সরিয়ে দিয়ে জরুরি কাজের কথা বলে যাওয়ার চেষ্টা করি। তখন ওরা আমাকে নিয়ে টানাহেঁচড়া করে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত বলেন, শিক্ষার্থীদের অবৈধ দাবি মেনে নেয়ার মতো নয়। প্রয়োজনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা নেবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

মহিব্বুল্লাহ্ চৌধুরী/এএম/এমএস