ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. ক্যাম্পাস

হাবিপ্রবিতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

প্রকাশিত: ০২:৩০ এএম, ২৩ মার্চ ২০১৭

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতিতে ৫ জন আহত হয়েছেন বলে উভয় গ্রুপের সদস্যরা দাবি করেছেন। বুধবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন ড. ফজলুল হকের কাছে চাঁদা দাবি করে। তিনি দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে লাঞ্ছিত করা হয়। এই ঘটনায় ড. ফজলুল হক সাংবাদিকদের সামনে প্রতিবাদ জানালে তা কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রচারিত।

ওই ঘটনার জের ধরে ছাত্রলীগকে কলুষিত করা হচ্ছে অভিযোগ করে বুধবার দুপুরে ছাত্রলীগের নয়ন গ্রুপের সদস্যরা হাবিপ্রবি উপাচার্যের অফিসের গেটের সামনে অবস্থান ও অবরোধ করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের সঙ্গে বৈঠক করে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেন।

বৈঠক শেষে তারা বেরিয়ে গেলে ছাত্রলীগ তারেক গ্রুপের সদস্যদের সঙ্গে তাদের হাতাহাতি হয়। পরে তা ধাওয়া-পাল্টায় ধাওয়ায় রূপ নেয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে থাকা পুলিশ সদস্যরা বিষয়টি মিমাংসা করে। ওই সংঘর্ষে ৫ নেতাকর্মী আহত হয় বলে উভয় গ্রুপের দাবি।

এ ব্যাপারে হাবিপ্রবি ছাত্রলীগ নেতা নাহিদ আহমেদ নয়নের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক শেষ করে তারা ক্যান্টিনের সামনে গেলে সেখানে থাকা তারেক গ্রুপের সদস্যরা বিভিন্ন কথাবার্তা বলতে থাকে।

এক পর্যায়ে দু’গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন সাংবাদিকদের দিয়ে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে ভুয়া সংবাদ পরিবেশন করিয়েছেন। এর প্রতিবাদ করায় তাদের ওপর হামলা হয়েছে।

অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের অপর গ্রুপের নেতা তারেক জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবে সফল হওয়ায় তারা আনন্দ মিছিল করেন। মিছিল শেষে তারা ক্যাম্পাসের সামনে দাঁড়ালে সেখানে ছাত্রলীগের অপর গ্রুপের সদস্যরা এসে তাদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করে। ফলে এক পর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

এদিকে ছাত্রলীগের সংঘর্ষের ঘটনার পর ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. এটিএম শফিকুল ইসলাম পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। পরে তা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের একটি বৈঠক হয়।

এ বিষয়ে প্রক্টরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, পারিবারিক কারণ দেখিয়ে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তবে উপাচার্যের অনুরোধে তিনি সাময়িকভাবে পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করবেন।

এমদাদুল হক মিলন/এফএ/পিআর