ভিডিও EN
  1. Home/
  2. ক্যাম্পাস

শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ

প্রকাশিত: ১০:৩৮ এএম, ২০ জুন ২০১৭

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বাংলা বিভাগের এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ১১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সোহানের লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় একই বিভাগের অধ্যাপক ড. মিল্টন বিশ্বাসের ওপর দায় চাপিয়ে ফেসবুকে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে কিছু শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। যদিও এ বিয়য়ে সোহানের পরিবার থেকে কোনো অভিযোগ করা হয়নি।

গত বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত বিভিন্ন পত্রিকার প্রতিনিধির সঙ্গে আলাপকালে জবির জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দফতরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মিল্টন বিশ্বাস ফেসবুকে প্রচারিত তথ্য-প্রমাণাদি তুলে ধরে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে (আইসিটি) মামলা করার কথা জানিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ড. মিল্টন বিশ্বাস জবির একজন মাত্র খ্রিষ্টান শিক্ষক। আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাফল্য নিয়ে বিভিন্ন প্রত্রিকায় নিয়মিত কলাম, টেলিভশন টক শো করে যাচ্ছেন তিনি। এতে গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে উড়ো চিঠির মাধ্যমে তাকে হত্যারও হুমকি দেয়া হয়েছে।

বাংলা বিভাগ সূত্রে জানা যায়, মৃত সোহান চারবছর ধরে ফুসফুসের দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ছিলেন। তার অ্যাজমার সমস্যাও ছিলো। সম্প্রতি লিভারে ক্যান্সার ধরা পড়েছিল তার। বাংলা বিভাগের একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী গত ২৯ মে ১১তম ব্যাচের দ্বিতীয়বর্ষ প্রথম সেমিস্টার পরীক্ষা শুরু হয়। সোহান অসুস্থ থাকায় একই ব্যাচের কয়েকজন শিক্ষার্থী পরীক্ষা পেছানোর কথা বললেও পরবর্তীতে অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে পরীক্ষা চালিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। সোহানও এ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। পরে গত ৯ জুন সোহানের মৃত্যু হয়। তার এ অকাল মৃত্যুর পর থেকেই ফেসবুকে অপপ্রচারে সক্রিয় হয়ে উঠে কিছু শিক্ষার্থী। এ মৃত্যুর জন্য শিক্ষক মিল্টন বিশ্বাসকে দায়ী করে ফেসবুকে অশ্লীল মন্তব্য করে চলেছেন জবির কিছু সাবেক শিক্ষার্থী।

এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দফতরের পরিচালক ও বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মিল্টন বিশ্বাস বলেন, কিছু দুষ্ট ছাত্র জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। তারা এর আগেও ফেসবুকে জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমানকে নিয়ে বিকৃত ও নোংরা প্রচার চালিয়েছে।

এমএএস/আরআইপি