ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. ক্যাম্পাস

‘তোমরা একা নয়, আমরা পাশে আছি’

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক | শাবি | প্রকাশিত: ০৫:১২ পিএম, ০২ আগস্ট ২০১৮

ঢাকায় বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনে নামা স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে প্রধান ফটকে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সমাবেশে ঢাকার স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদেরকে ছোট ভাই-বোন সম্বোধন করে তাদের পাশে থাকার ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী সুনামগঞ্জ-সিলেট মহাসড়কে মানববন্ধন করে। পরবর্তীতে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সিলেট শহরের আখালিয়া, মদিনা মার্কেট, পাঠানটুলা ঘুরে আবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে এসে সমাবেশে মিলিত হন শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সমন্বয়ক জুয়েল রানার সঞ্চালানায় সমাবেশে বক্তব্য দেন সাস্ট সায়েন্স অ্যারেনার সাবেক সভাপতি রিফাত হায়দার, চোখ ফিল্ম সোসাইটির সভাপতি তুহিন ত্রিপুরা, শিক্ষার্থী কৈরম কামেশ্বর, ছাত্রফ্রন্টের সদস্য তৌহিদুজ্জামন জুয়েল, সাস্ট-এসডির সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. আদনান প্রমুখ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তারা বলেন, বুধবার দাঁড়িয়ে থাকা এক শিক্ষার্থীর ওপর দিয়ে ট্রাক চলে গেলো সেই বিষয়টি সহ্য করা যাচ্ছিলো না। আমাদের ছোট ভাই-বোনদের ওপর যেভাবে হামলা করা হয়েছে এই হামলা যদি আবারও হয় তাহলে আমরা মাঠে নামবো। ছোট ভাই-বোনরা একা নয়, আমরা তোমাদের পাশে আছি। তোমাদের ওপর ভবিষ্যতে আর কোনো ধরনের হামলা-নির্যাতন হয় তাহলে আমরা সারাদেশের ছাত্র সমাজ তার যোগ্য জবাব দিবো।

বক্তারা আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা যে ৯ দফা দাবি দিয়েছে আমরা তার সঙ্গে একমত। সরকার যাতে তাদের এই দাবিগুলো মেনে নেয় সেটা আমরা প্রত্যাশা করবো। লাইসেন্সবিহীন, ফিটনেসবিহীন গাড়ি এবং চালকদের সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থার দাবি জানান তারা।

গত ৩০ জুলাই ঢাকায় জাবালে নূর বাসের চাপায় শহীদ রামিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহত হন। এ ঘটনার প্রতিবাদে ওই কলেজের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামলে তাদের ওপর হামলা চালায় পুলিশ। এ ঘটনায় নৌমন্ত্রী শাজাহান খানের পদত্যাগও দাবি করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

আব্দুল্লাহ আল মনসুর/আরএআর/জেআইএম

আরও পড়ুন