সাদিক কায়েম
শুধু নিষিদ্ধ নয়, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিও নিশ্চিত করতে হবে
ফাইল ছবি
খুনি সংগঠন ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করা জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম একটি অর্জন। প্রেক্ষাপট বিবেচনায় তা একটি যৌক্তিক ও সাহসী সিদ্ধান্ত উল্লেখ করে শুধু নিষিদ্ধ নয়, বরং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবিও জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের সভাপতি সাদিক কায়েম।
বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) মধ্যরাতে একটি ফেসবুক পোস্টে তিনি এমন দাবি জানান।
তিনি লিখেছেন, আমরা দেখে আসছি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী রেজিমে ছাত্রলীগ কী রকম ভয়ানক রূপ ধারণ করেছিল। ভয়, ত্রাস, সন্ত্রাস, হত্যা আর ছাত্রলীগ সমার্থক। খুন, ধর্ষণ, চাঁদাবাজ, ক্যাম্পাস দখল, ছাত্র-শিক্ষক নির্যাতনসহ অপরাধের এমন কোনো ক্ষেত্র নেই যেখানে তাদের বিচরণ ছিল না।
‘ইতিহাস সাক্ষ্য দিচ্ছে শহীদ নোমানি, আবুবকর, বিশ্বজিৎ, আবরারকে কি ভয়ানকভাবে শহীদ করেছে ছাত্রলীগ। সর্বশেষ চব্বিশের বিপ্লবে শত-সহস্র ভাই-বোনকে পৈশাচিকভাবে রক্তাক্ত করেছে, গণহত্যা চালিয়েছে যা বাংলাদেশের ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম কালো অধ্যায়। জুলাইয়ে শহীদ হওয়া নাসিমা, তরুয়া, ওয়াসীম, আবু সাঈদ, আলী রায়হান, মুগ্ধ, শান্তরা আমাদের চোখের সামনেই হারিয়ে গেলো অন্তিম ঠিকানায়!
সাদিক বলেন, তাদের দলীয়ভাবে এহেন পাশবিক হত্যাযজ্ঞ কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না বরং তার ধারাবাহিকতার মাত্রা বছরের পর বছর আরও বর্বরোচিত হচ্ছিলো। এখনো তারা বিভিন্নভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করতে পায়তারা করছে। গুপ্ত হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে অনেক জায়গায়। ছাত্রলীগ কেন নিষিদ্ধ করা হলো তার ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের জরুরতও দেখি না। পুরো দেশের আকাঙ্ক্ষারই এখানে বাস্তবায়ন ঘটেছে।
‘শুধু নিষিদ্ধ নয়, যারা খুন, ধর্ষণ, গণহত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলো ও মৌন সমর্থন দিয়ে গেছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। পরবর্তীতে যেন স্বাধীন দেশকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে না পারে সেদিকে ছাত্রজনতা ও সরকারের সচেতন দৃষ্টিই জাতির একান্ত প্রত্যাশা।’
এমএইচএ/এমএসএম
সর্বশেষ - ক্যাম্পাস
- ১ উপ-উপাচার্যকে দেখে ‘দালাল’ বলে স্লোগান শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের
- ২ ঢাবিতে সংস্কৃত বিভাগের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা
- ৩ শাকসু নির্বাচন স্থগিতে বিএনপি-ছাত্রদলকে দায়ী করলেন শিক্ষার্থীরা
- ৪ শাকসু নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে শিবিরের মানববন্ধন
- ৫ শাকসু নির্বাচন দাবিতে ফের প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষার্থীরা