ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

কালীগঞ্জ বিদ্যুৎ অফিসে জেঁকে বসেছে দুর্নীতি

প্রকাশিত: ০৫:৪২ এএম, ৩০ মে ২০১৬

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে বিদ্যুৎ অফিসে দুর্নীতি অনিয়ম জেঁকে বসেছে। এবার নোট সিটের মাধ্যমে ট্রান্সফরমার প্রতিস্থানের কথা বলে আবাসিক প্রকৌশলী যুগল বন্ধু রায় ২৪ হাজার ৪২৪ টাকা গায়েব করে দিয়েছেন।

নোট সিটে বলা হয়েছে, বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ ওজোপাডিকো লি. কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহ বিদ্যুৎ সরবরাহের ২ নং বাজার ফিডারের ভাটপাড়া মন্দির সংলগ্ন ২৫০ কেভিএ অকেজো ট্রান্সফরমার জরুরি ভিত্তিতে আরএমকিউ পদ্ধতিতে উদ্ধার ও ২৫০ কেভিএ ট্রান্সফরমার প্রতিস্থাপন কাজের জন্য ২৪ হাজার ৪২৪ টাকার কার্যাদেশের অনুমোদন চাওয়া হয়।

অথচ ওই স্থানে কোনো ট্রান্সফরমার ছিল না। এছাড়া বিগত ৫/৬ বছরের মধ্যে কোনো ট্রান্সফরমার লাগানো হয়নি। তাহলে ওই ট্রান্সফরমার কোথায় গেল তার কোনো সদুত্তরও দিতে পারেননি কালীগঞ্জ ওজোপাডিকো লি. এর আবাসিক প্রকৌশলী।

সূত্র জানায়, যশোর জেডআরএস থেকে গত জুন ২০১৫ থেকে অক্টোবর ২০১৫ এর মধ্যে কালীগঞ্জ বিদ্যুৎ সরবরাহে কোনো ট্রান্সফরমার বরাদ্দ দেয়া হয়নি। তাহলে নোট সিটের মাধ্যমে ২৪ হাজার ৪২৪ টাকা মূল্যের ট্রান্সফরমারটি কোথায় গেল?

Jhenaidah

নোট সিটের যে স্থান থেকে অকেজো ট্রান্সফরমারটি উদ্ধার ও নতুন ট্রান্সফরমার প্রতিস্থাপনের কথা বলা হয়েছে সেখানে আদৌ কোনো ট্রান্সফরমার ছিল না। এছাড়া যেখানে ট্রান্সফরমার স্থাপন করতে হয় সেখানে এইচ পিলার অথবা স্ট্রেকচার থাকতে হয়। কিন্তু ভাটপাড়া মন্দির সংলগ্ন কোনো স্থানে ট্রান্সফরমার তো দূরের কথা এসবের কিছুই নেই।  

ভাটপাড়া মন্দির সংলগ্ন এলাকার আব্দুল কাদের, কমলা দাস, হালিমা বেগম, একতি বেগম, সন্ন্যাসী, খোকন এবং বেজপাড়া গ্রামের পরিতোষ কুমার সেনসহ একাধিক নারী ও পুরুষ জানান, ভাটপাড়া মন্দির সংলগ্ন এলাকায় কখনো ট্রান্সফরমার ছিল না। বিগত ৫/৬ বছরের মধ্যেও কোনো ট্রান্সফরমার দেয়া হয়নি। তাহলে আপনারা কিসের ট্রান্সফরমার কথা বলছেন? এখানে তো কোনো ট্রান্সফরমার নেই।

এ ব্যাপারে ওজোপাডিকো লি. কালীগঞ্জের বিদ্যুৎ সরবরাহ বিভাগের আবাসিক প্রকৌশলী যুগল বন্ধু রায় জানান, ২৪ হাজার ৪২৪ টাকা  মূল্যের ট্রান্সফরমারটি কোথায় গেল এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি বাইরে আছি, অফিসে এসে দেখে বলতে হবে।

নাসিম আনসারী/এসএস/এমএস

আরও পড়ুন