ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

ছাত্রলীগের ৯ নেতাকর্মীসহ ১১ জনের নামে চার্জশিট

প্রকাশিত: ০৩:০৪ এএম, ০১ জুন ২০১৬

একুশের প্রথম প্রহরে যশোর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বোমাবাজির ঘটনায় ছাত্রলীগের ৯ নেতাকর্মীসহ ১১ জনের নামে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মর্তা (ওসি, তদন্ত) শ্যামলাল নাথ এ চার্জশিট দেন।

প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার আদালতে এই চার্জশিট জমা দেয়া হয়েছে।

অভিযুক্তরা হলেন- শহরের পুরাতনকসবা মিশনপাড়ার মৃত আমিন কাজীর ছেলে কাজী আমিরুল ইসলাম আবির, রেলগেট পশ্চিমপাড়ার শহিদুল ইসলাম বাবুর ছেলে এমএম কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রফিক, সদর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের আব্দুল খালেক গাজীর ছেলে ছাত্রলীগকর্মী গাজী হাসান, শার্শা উপজেলার নৈহাটি গ্রামের শাহাজাহান মিয়াজীর ছেলে এমএম কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রাশেদ মিয়াজী।

এছাড়া, বেনাপোলের কাগজপুকুর গ্রামের মৃত মোসলেম সরদারের ছেলে ছাত্রলীগকর্মী সুমন হোসেন, খুলনার আড়ংঘাটা থানার রংপুর কালিঘাট গ্রামের মৃত বিনয় সরকারের ছেলে ছাত্রলীগকর্মী মিঠুন সরকার, ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ডালডাঙ্গা গ্রামের ঘোরই চাঁদ শেখের ছেলে ছাত্রলীগকর্মী আল মামুন শেখ আকাশ, কচুয়াপোতা গ্রামের হাবিবুর রহমান মন্ডলের ছেলে ছাত্রলীগকর্মী জাফর আহম্মেদ মন্ডল।

অন্যান্যরা হলেন-বাঘাডাঙ্গা গ্রামের ওবাইদুল বাসারের ছেলে এমএম কলেজ শাখার ছাত্রলীগের উপ-প্রচার সম্পাদক তিতাস মিয়া, কোটচাঁদপুর উপজেলার মানিকদিহি গ্রামের শামসুল হকের ছেলে ছাত্রলীগকর্মী মাজেদুল ইসলাম শাহিন ও মাগুরার শালিখা উপজেলার নাঘোষা গ্রামের করিম বিশ্বাসের ছেলে মহিদুল ইসলাম।

মামলার তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা ৫ মিনিটের দিকে যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ এমএম কলেজ শহীদ মিনারে ফুল দিতে যান। এ সময় কয়েকটি বোমা ও গুলির শব্দে লোকজন চারিদিকে ছোটাছুটি শুরু করে।

পুলিশ লাঠিচার্জ, টিয়ার শেল নিক্ষেপ ও শর্টগানের গুলি চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ব্যাপারে কোতোয়ালি থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসাদুজ্জামান বাদী হয়ে মামলা করেন। তদন্তে ১১জনের বিরুদ্ধে এ চার্জশিট দেয়া হয়েছে।

মিলন রহমান/এসএস/পিআর

আরও পড়ুন