যুবলীগ নেতার হামলায় আহত ৩০
বগুড়ার শাজাহানপুরে ইউপি নির্বাচনে সদস্য প্রার্থীর কর্মীদের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে প্রতিপক্ষ এক যুবলীগ নেতা। এসময় অন্তত ৩০ নারী-পুরুষ আহত হয়েছেন। বুধবার বিকেলে উপজেলার খরনা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড কড়িআঞ্জুল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ২নং ওয়ার্ডে সদস্য পদে জাহিদুর রহমান জাহিদ (মোরগ), আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম (টিউবওয়েল) ও আলমগীর হোসেন আলম (ফুটবল) প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে আলমগীর হোসেন আলম ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক। এ কারণে তিনি প্রথম থেকেই প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। তার বাহিনী দিয়ে অপর দুই প্রার্থীকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য মনোনয়নপত্র দাখিলের পর থেকেই বিভিন্ন হুমকি দামকি দিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার বিকেল ৪টার দিকে কড়িআঞ্জুল গ্রামে জাহিদুর রহমান জাহিদের কর্মীরা মোরগ মার্কা প্রতীকে ভোট চেয়ে গণসংযোগ করছিলেন। এসময় প্রতিপক্ষ প্রার্থী যুবলীগ নেতা আলমগীর হোসেন আলমের নেতৃত্বে ৪০/৫০ জন সন্ত্রাসী জাহিদুর রহমানের কর্মীদের ওপর অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। হামলায় রবিউল ইসলাম নামে এক যুবকের মাথায় ছুরিকাঘাত ও ২৫/৩০ জন নারী-পুরুষ কর্মীদের বেদম মারপিট করে। বর্তমানে রবিউল ইসলাম গুরুতর আহত অবস্থায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং অন্যরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।
এদিকে, হামলার খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে যুবলীগ নেতা আলমের এক সহযোগী সমছ উদ্দিনকে গ্রেফতার করেছে।
হামলার বিষয়ে সদস্য প্রার্থী যুবলীগ নেতা আলমগীর হোসেন আলম জানান, জাহিদুর রহমানের কর্মীরা প্রথমে আমার এক কর্মীকে মারপিট করে। এর সূত্র ধরে উভয়পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। আগ বাড়িয়ে আমরা কিছু করিনি।
শাজাহানপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন জানান, হামলার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখন মামলা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এআরএ/এমএস