মামাকে হত্যার দায়ে ভাগ্নের ফাঁসি
পিরোজপুরে মামাকে হত্যার দায়ে ভাগ্নে নিবাস চন্দ্র শীলের (৩৮) ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন জেলা ও দায়রা জজ মো. গোলাম কিবরিয়া। এ সময় ২০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশও দেন তিনি। বুধবার দুপুরে এ আদেশ দেয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত নিবাস চন্দ্রের বাড়ি পিরোজপুর সদর উপজেলার টোনা ইউনিয়নে। তিনি খুলনা মহানগরীর জোড়াকল বাজারে সেলুনের ব্যবসা করতেন।
জানা গেছে, ২০১৩ সালের ৯ সেপ্টেম্বর পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার শেখমাটিয়া ইউনিয়নের ষোলশত গ্রামের কৃষক হেমলাল চন্দ্র শীলকে (৫৫) তার দূর সম্পর্কের ভাগ্নে নিবাস চন্দ্র শীল জবাই করে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
নিহতের ছেলে হত্যা মামলার বাদী শ্যামল চন্দ্র শীল জানিয়েছেন, বাবার বংশীয় বোন মিনার রনি শীলকে পিরোজপুর সদর উপজেলার টোনা ইউনিয়নের টোনা গ্রামে সুখরঞ্জন শীলের সঙ্গে বিয়ে দেয়া হয়। তিনি নাজিরপুরে বাবার রেখে যাওয়া জমি থেকে কিছু জমি পেয়েছেন।
সে জমি আমার বাবা হেমলালের নিকট বিক্রি করবেন বলে বায়না বাবদ মিনার রানী কিছু টাকা নিয়ে যান। ২০১৩ সালের ৯ সেপ্টেম্বর মিনার ছেলে নিবাস চন্দ্র খুলনা থেকে আমাদের বাড়িতে এসে বাবার কাছে জমির বাকি টাকা দাবি করেন। কিন্তু মায়ের নির্দেশ ছাড়া তাকে টাকা দেয়া যাবে না বলে বাবা জানিয়ে দেন। পরে দুপুরে সবাই খাবার খেয়ে ঘুমাতে গেলে অন্যদের অনুপস্থিতে ঘুমন্ত হেমলালকে দা দিয়ে জবাই করে নিবাস।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে শ্যামল বাদী হয়ে নাজিরপুর থানায় নিবাস চন্দ্রকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে দীর্ঘদিন পর বুধবার দুপুরে পিরোজপুরের জেলা ও দায়রা জজ মো. গোলাম কিবরিয়া আসামির উপস্থিতিতে এ রায় দেন।
হাসান মামুন/এফএ/এবিএস
সর্বশেষ - দেশজুড়ে
- ১ বিদ্যুতের অপরিকল্পিত খুঁটি-তারে ঝুঁকিতে চাঁদপুর শহরবাসী
- ২ ইব্রাহিম নবীর কোরবানির চেয়েও জামায়াত নেতার কোরবানি বড়!
- ৩ চা বাগানের ৬৯ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষাবঞ্চিত ৯ হাজার শিশু
- ৪ খালেদা জিয়ার দোয়া অনুষ্ঠানে বিএনপির দুই গ্রুপের হট্টগোল
- ৫ দুই ঠিকাদারের ঠেলাঠেলিতে আটকা ২০ ফুট রাস্তা, দুর্ভোগে শহরবাসী