ভিডিও EN
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

চাষির মুখে হাসি ফুটিয়েছে সোলার পাম্প

প্রকাশিত: ০৫:১২ এএম, ২১ জুন ২০১৬

"আগে ৪৬ শতক জমিতে সেচের পানি বাবদ খরচ হতো কমপক্ষে আট হাজার টাকা। তারপরও পানি পাওয়ার নিশ্চয়তা ছিল না। অথচ বর্তমানে ৫ হাজার টাকায় পাওয়া যায় প্রয়োজনের চেয়ে অধিক পানি।" এমন কথাই জানালেন ঝিনাইদহের হরদেবপুর গ্রামের কৃষক নেতা উদয় শংকর বিশ্বাস।

সরেজমিনে দেখা গেলো, ঝিনাইদহের ভিটস্বর ও হরদেবপুর গ্রামের গড়ার বিলে প্রায় ১শ ৭০ একর জমিতে সৌর বিদ্যুৎ চালিত ১০টি গভীর নলকুপের পানিতে চাষ হচ্ছে ধানসহ বিভিন্ন ফসল। একদিকে অবিরাম পানির প্রবাহ, অন্যদিকে কম খরচ। সব মিলিয়ে সন্তুষ্ট চাষি।

ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লি. (ইডকল) এর আর্থিক সহযোগিতায় ঝিনাইদহ এইডের সোলার ইরিগেশন পাম্প সিস্টেমের উদ্যোগে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎসকে (সৌর শক্তি) কাজে লাগিয়ে সোলার সেচ পাম্প স্থাপন করছেন তথ্য এইড কর্মকর্তা হাসানুজ্জামান বাবুর।

Jhenidah-solar

তিনি জানালেন, একেকটি সোলার পাম্প স্থাপনে ৪৫-৪৮ লাখ টাকা খরচ হয়। একটি সেচ পাম্পের অধীনে ৮০ থেকে ১শ বিঘা জমি চাষ করা সম্ভব।
 
তিনি আরো জানান, ইরিগেশনে চাষিদের কাছ থেকে বিঘা প্রতি ৫ হাজার টাকা, আমন চাষে ১৪শ টাকা ও রবি মৌসুমে ৬শ টাকা করে নেয়া হয়।

শুধু গড়ার বিলে নয় জেলার ৫টি উপজেলায় মোট ৪২টি সোলার পাম্পের পানিতে এখন প্রায় ৭শ একর জমিতে চাষ হচ্ছে। এর মধ্যে ঝিনাইদহের সদরে ২৫টি, কালীগঞ্জ উপজেলায় ৮টি, কোটচাঁদপুর উপজেলায় ৪টি, হরিনাকুন্ডু উপজেলায় ৪টি ও শৈলকুপা উপজেলায় ১টি সোলার পাম্প রয়েছে। এছাড়া প্রক্রিয়াধিন আছে আরো ২৫টি।

হরদেবপুর গ্রামের কৃষক নেতা রফিকুল ইসলাম জানান, গড়ার বিলে পর্যায়ক্রমে ১০টি সোলার পাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এতে কৃষকের সেচ বাবদ খরচ কমেছে এবং সময়মতো পানি প্রাপ্তির নিশ্চয়তা পেয়েছে তারা।

আহমেদ নাসিম আনসারী/এফএ/পিআর