ফেনীতে মাদকের আস্তানাগুলোতে অভিযান : আটক ২০
প্রতীকী ছবি
ফেনী শহরের বিভিন্ন মাদকের আস্তানায় রাতভর অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় মাদক বিক্রি ও সেবনের দায়ে ২০ জনকে আটক করা হয়। রোববার মধ্যরাতে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানা এ আদালত পরিচালনা করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, ফেনী শহরের বিভিন্ন স্পটে গভীররাতে মাদকের আখড়া বসে এমন খবর পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদলতের একটি দল রেলওয়ে স্টেশনে অভিযান পরিচালনা করে। এসময় রেললাইনের পাশে মাদক বিক্রি ও সেবনের দায়ে ২০ জনকে হাতেনাতে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে রেলস্টেশন সংলগ্ন বস্তিতে চিরুনি অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। একপর্যায়ে হাবিলদার জামাল নামে এক মাদক ব্যবসায়ীর ঘরের চুলার পাশ থেকে প্রায় ৩৫০ পুরিয়া (১ কেজি ৭০০ গ্রাম ) ও কিছু খোলা গাঁজাসহ তিন বোতল ফেনসিডিল ও ইয়াবা সেবনের বিপুল পরিমাণ সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়।
এ ছাড়া শহরের পশ্চিম রামপুর এলাকার রাসেল ওরফে রসূল মিয়ার মাদক আস্তানায় অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে রসূল মিয়া পালিয়ে যান। পরে আস্তানা থেকে মাদক সেবনের সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়।
অভিযানের বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানা জানান, ফেনী সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় অন্যান্য স্থানের তুলনায় এখানে মাদক তুলনামূলকভাবে সহজলভ্য আর মাদক থেকেই অন্যান্য অপরাধের জন্ম নেয়। তাই ফেনী জেলার আইনশৃংখলা রক্ষা করতে হলে মাদকের অবাধ ও সহজলভ্য ব্যবহার ও বিক্রয় বন্ধ করতেই হবে। মাদকের ভয়াবহ থাবা থেকে মানুষকে বাঁচাতে ও আইনশৃংখলা রক্ষায় জেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
জহিরুল হক মিলু/এমএএস/এমএস
সর্বশেষ - দেশজুড়ে
- ১ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য খাল সংস্কারের বিকল্প নেই: মিন্টু
- ২ দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী
- ৩ দামের পার্থক্য যেন অগ্রহণযোগ্য পর্যায়ে না যায়, সে বিষয়ে সরকার সতর্ক
- ৪ খাল খনন উদ্বোধনের পর কর্দমাক্ত অবস্থায় মঞ্চে উঠলেন প্রধানমন্ত্রী
- ৫ নগরবাসী সিটি করপোরেশনের কোনো কর্মকর্তাকে ‘স্যার’ সম্বোধন করবে না