ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

হবিগঞ্জে ৪ শিশু হত্যা : অভিযোগপত্র আমলে নিয়েছে আদালত

প্রকাশিত: ০৮:৩৭ এএম, ২৮ জুন ২০১৬

হবিগঞ্জের বাহুবলে আলোচিত ৪ শিশু হত্যা মামলার অভিযোগপত্র আমলে নিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে কারাগারে আটক ৫ আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন।

বুধবার দুপুরে হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের জেলা জজ কিরণ শংকর হালদার এ আদেশ দেন। ২৫ জুলাই মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবুল হাসেম মোল্লা মাসুম জানান, শুনানি শেষে বিচারক চার্জশিট গ্রহণ করেছেন। পাশাপাশি পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, বুধবার নির্ধারিত তারিখে আদালতে হাজির করা হয় কারাগারে থাকা আসামি আব্দুল আলী ওরফে বাগাল, তার ছেলে রুবেল মিয়া ও জুয়েল মিয়া, হাবিবুর রহমান আরজু এবং সাহেদ আলী ওরফে সায়েদকে। এ সময় তাদের পক্ষে আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

এছাড়া পরবর্তী তারিখ পর্যন্ত উক্ত মামলায় জামিনে থাকা সালেহ আহমদ ও তার ভাই বশির আহমদ এবং র্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত অটোরিকশা চালক বাচ্চু মিয়াকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, বাহুবল উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামের জাকারিয়া আহমেদ শুভ (৮), তার চাচাতো ভাই মনির মিয়া (৭), তাজেল মিয়া (১০) ও ইসমাইল হোসেন (১০) গত ১২ ফেব্রুয়ারি গ্রামের পার্শ্ববর্তী মাঠে খেলা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। ১৭ ফেব্রুয়ারি বাড়ির অদূরে একটি বালুর ছড়া থেকে মাটি চাপা দেয়া অবস্থায় তাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

হৃদয়বিদারক এ ঘটনাটি দেশ-বিদেশে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। উক্ত ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার তদন্তভার পান ডিবি পুলিশের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুকতাদির হোসেন। তিনি ৪৮ দিন তদন্ত শেষে ৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দেন।

এতে অভিযুক্ত করা হয়-পঞ্চায়েত সর্দার আব্দুল আলী বাগাল, তার ছেলে জুয়েল মিয়া ও রুবেল মিয়া, ভাতিজা সাহেদ আলী ওরফে সায়েদ, অন্যতম সহযোগী হাবিবুর রহমান আরজু, উস্তার মিয়া, বেলাল মিয়া ও বাবুল মিয়াকে।

এছাড়া সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক বাচ্চু মিয়া র্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয় এবং ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় গ্রেফতার সালেহ আহমেদ ও বশির আহমেদকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়ার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। অভিযুক্তদের মাঝে এখনও পর্যন্ত পলাতক রয়েছে উস্তার মিয়া, বেলাল মিয়া ও বাবুল মিয়া।

সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন/এসএস/পিআর

আরও পড়ুন