ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

এক লাখ রুপির বন্ড আটকে দিলো সোনুকে

প্রকাশিত: ১০:৪৫ এএম, ২৮ জুন ২০১৬

বাংলাদেশি পাচারকারী চক্রের কবলে পড়ে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি থেকে বাংলাদেশের বরগুনায় আসা ভারতীয় কিশোর অভিরূপ সোনুকে ভারতীয় হাইকমিশনের জিম্মায় দিতে এক লাখ রুপির সিকিউরিটি বন্ড দেয়ার আদেশ দিয়েছেন বরগুনার আদালত। অন্যদিকে সোনুকে নিতে সিকিউরিটি বন্ড দিতে অস্বীকার করেছে ভারতীয় হাইকমিশন।

গতকাল সোমবার সকালে সোনুকে ভারতীয় হাইকমিশনের জিম্মায় নিতে আদালতে আবেদন করেন ভারতীয় হাইকমিশনের মুখ্য সচিব রমা কান্তগুপ্ত। এ সময় অভিরূপ সোনুসহ পাচারকারী চক্রের হাত থেকে উদ্ধারকারী ‘বজরঙ্গী ভাইজান’ খ্যাত জামাল ইবনে মুসাও আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বরগুনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আবু তাহের এক লাখ টাকা বন্ড দিয়ে সোনুকে জিম্মায় নেয়ার আদেশ দেন।

Barguna

অন্যদিকে ভারত বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে পাচারকারীর কবলে পড়া একটি শিশুকে তার বাবা-মায়ের কাছে ফিরিয়ে নিতে কোনোরূপ বন্ড দিতে অস্বীকার করেন ভারতীয় হাইকমিশনের মুখ্য সচিব রমা কান্তগুপ্ত।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে) সোনুকে নেয়ার বিষয়ে আর কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন ভারতীয় হাইকমিশনের মনোনীত আইনজীবী অ্যাডভোকেট সঞ্জীব দাস।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যার দিকে ঢাকার উদ্দেশ্যে বরগুনা ত্যাগ করেছেন ভারতীয় হাইকমিশনের মুখ্য সচিব রমা কান্তগুপ্ত। এর আগে সকালে পুলিশের প্রহরায় একটি মাইক্রোবাসে যশোরের কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে বরগুনার আদালতে হাজির করা হয় কিশোর অভিরূপ সোনুকে।

Barguna-

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ২৩ মে ভারতের নয়াদিল্লি থেকে সোনুকে অপহরণ করে বরগুনার বেতাগী উপজেলার গেরামর্দন গ্রামে নিয়ে আসে একটি পাচারকারী চক্র। বিষয়টি প্রতিবেশী জামাল ইবনে মুসার দৃষ্টিগোচর হলে সেই থেকে তিনি সোনুর নাম পরিচয় খুঁজতে থাকেন। সবশেষে নিজ খরচে জামাল বিন মুসা ভারতের নয়াদিল্লির পথে পথে ঘুরে দিল্লির দিলশাদ গার্ডেন এলাকায় সোনুর বাবা-মাকে খুঁজে পান।

একটি অপহৃত শিশুর জন্য একজন জামাল ইবনে মুসার এ মানবিক প্রচেষ্টা নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের গণমাধ্যমে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। বিষয়টি জেনে দুই দেশের স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর প্রধানরা সোনুকে তার বাবা-মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিতে দ্রুততার সঙ্গে সকল ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।

এমএএস/আরআইপি