ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

বছরজুড়ে পিঠা বিক্রি করে চলে রেহেনার সংসার

জেলা প্রতিনিধি | ফরিদপুর | প্রকাশিত: ০৪:৪৬ পিএম, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬

ফরিদপুরের বোয়ালমারীর চালিনগর চৌরাস্তায় সারাবছর পিঠা বিক্রি করেই জীবনের লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন রেহেনা বেগম (৪১)। অসুস্থ ও কর্মক্ষমতাহীন স্বামী, তেরো বছর বয়সী এক ছেলে এবং চরম দারিদ্র্যের সংসারের ভার এখন একাই টানতে হচ্ছে তাকে। সামান্য আয়ের পিঠার দোকানই রেহেনার পরিবারের বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন, যেখানে প্রতিদিনের সংগ্রাম যেন নিত্যদিনের গল্প হয়ে উঠেছে।

রেহেনা বেগম বলেন, আমার স্বামীর উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত মাথাগোঁজার ঠাঁই হিসেবে ভিটেটুকুই সম্বল। এছাড়াও উপজেলা সদর থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে অবস্থিত চালিনগর গ্রামে দেড় শতক জমি আছে কিন্তু পানির মধ্যে। নিজেদের কোনো ঘর নেই। বোয়ালমারী সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সাহিদুল হক মন্টুর বাড়ির পাশে একটি কুঁড়েঘর করে সেখানে বসবাস করি।

জানা গেছে, শীতকালে ওই গ্রামেই এক দোকানের সামনে বসে বিকেলে পিঠা বিক্রি করেন রেহেনা বেগম। আর অন্য সময় পার্শ্ববর্তী সাতৈর ইউনিয়নের ডোবরা গ্রামে অবস্থিত আকিজ বশির গ্রুপের জনতা জুট মিলের সামনে বসে পিঠা বিক্রি করেন তিনি। প্রতিদিন যে পিঠা বিক্রি হয় তাতে দুইশ টাকার মতো লাভ থাকে। তাতে কোনরকমে সংসার চলে। শীত নিবারণের জন্য তাদের নেই তেমন কোনো শীতবস্ত্র।

রেহেনা বেগম বলেন, পেটই ঠিকমতো চলে না, সেখানে শীত নিবারণ! সরকারি-বেসরকারী কোনো সাহায্য সহযোগিতা পাই না। নেই কোনো ভাতা। ভাতা পেলেও কিছুটা হলেও কষ্ট কমে যেতো।

বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস.এম রকিবুল হাসান জাগো নিউজকে বলেন, এমন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সহোযোগিতার হাত বাড়ানো হবে। সেক্ষেত্রে তার জাতীয় পরিচয় পত্র নিয়ে আমার অফিসে যোগাযোগ করলে তিনি যদি কোনো ভাতা অথবা সহযোগিতা পাওয়ার উপযোগী হন অবশ্যই তার জন্য য ভাতা ও সাহায্য-সহযোগিতা করা হবে।

এন কে বি নয়ন/এনএইচআর/জেআইএম