ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

কোনো মুসলমানকে কুফুরি বলার অধিকার কারও নেই: গোলাম পরওয়ার

জেলা প্রতিনিধি | খুলনা | প্রকাশিত: ০৫:৪৫ পিএম, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬

সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল এবং খুলনা-৫ আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, একটি বড় রাজনৈতিক দলের নেতা জামায়াতে ইসলামীকে কুফুরি ও শিরকের সঙ্গে তুলনা করে যে দায়িত্বজ্ঞানহীন ও অজ্ঞতাপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন, তা শুধু রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘন নয়, বরং ইসলামের মৌলিক শিক্ষার সরাসরি অবমাননা।

তিনি বলেন, আল্লাহ, রাসূল (সা.), ফেরেশতা, পরকাল ও তাকদিরে বিশ্বাসী কোনো মুসলমানকে কুফুরি বলার অধিকার কারও নেই। হাদিসে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে—যে ব্যক্তি অন্য মুসলিমকে কাফের বলে, সেই অপবাদ তার নিজের ওপরই বর্তায়। ইসলাম সম্পর্কে ন্যূনতম জ্ঞান ও গবেষণা ছাড়াই এমন মন্তব্য একটি মুসলিম দেশের রাজনৈতিক নেতার জন্য চরম লজ্জাজনক।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) খুলনার ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলায় একাধিক গণসংযোগ ও পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গে জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্যের জবাবে গোলাম পরওয়ার বলেন, ‌স্বাধীনতার পূর্বে অখণ্ড পাকিস্তানের পক্ষে রাজনৈতিক অবস্থান নেওয়া দলগুলোর মধ্যে জামায়াতে ইসলামী একা ছিল না। মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলাম, পিডিপি এবং বামপন্থি কমিউনিস্ট দলসহ বহু রাজনৈতিক দল সেসময় ভারতীয় আগ্রাসনের আশঙ্কা থেকে ভিন্ন রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়েছিল। ইতিহাস বিকৃত না করে এই বাস্তবতা স্বীকার করা উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, খুলনা-৫ আসনে চাঁদাবাজ, কালো টাকার মালিক ও সন্ত্রাসীরা দল-মত নির্বিশেষে রাষ্ট্র ও সমাজকে জিম্মি করে রেখেছে। এই অপশক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়েই জনগণকে তাদের প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। মানবিক সমাজ কায়েম করতে হলে সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ডুমুরিয়া উপজেলার গুটুদিয়া ইউনিয়নের আরাফাত আবাসিক এলাকা, আল আকসা, ফলইমারী, শিবপুর, বাদুরগাছা এলাকায় গণসংযোগ ও উঠান বৈঠককালে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারি সেক্রেটারি মুন্সি মঈনুল ইসলাম ও অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবু ইউসুফ মোল্লা, হরিণটানা থানা কর্মপরিষদ সদস্য লিখন হোসেন, মতিয়ার রহমান প্রমুখ।

আরিফুর রহমান/এসআর/জেআইএম