ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

‘ডাকসু ছিল মাদকের আড্ডা-বেশ্যাখানা’ জামায়াত নেতার বক্তব্য ভাইরাল

জেলা প্রতিনিধি | বরগুনা | প্রকাশিত: ০৮:০১ পিএম, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬

দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) মাদকের আড্ডাখানা এবং বেশ্যাখানা ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি শামীম আহসান।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া ইউনিয়নের কাটাখালী এলাকায় বরগুনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদের নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। এসময় তিনি বলেন, ইসলামী ছাত্রশিবির ডাকসুর অবস্থা পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছে।

জামায়াত নেতা শামীম আহসান তার বক্তব্যে বলেন, ‌‘আমরা দেখছি, ডাকসু নির্বাচনের পরে যে ডাকসু মাদকের আড্ডা ছিল, যে ডাকসু বেশ্যাখানা ছিল, সেটা ইসলামী ছাত্রশিবির পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছে। তাই এই বাংলাদেশ থেকে সকল প্রকার অন্যায়, সকল প্রকার চাঁদাবাজ, সকল প্রকার দুর্নীতি উৎখাত করতে জামায়াতে ইসলামী সক্ষম।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আপনার আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা ধৈর্য ধরে যত ভয়ভীতিকে উপেক্ষা করে ইমানের শক্তি নিয়ে, কারণ আমরা যে কাজটা করি এটা ইবাদতের কাজ। আমরা রাজনীতি করি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। পরকালের নাজাতের জন্য। তাই আপনাদের সেই ইমানের বলে বলীয়ান হয়ে সকল রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে আগামী দিনে ভোটকেন্দ্রে কোনোরকম হই-হাঙ্গামা করতে না পারে, এজন্য আপনাদেরকে সিসা ঢালা প্রাচীরের মতো ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে ইনশাআল্লাহ।’

জনসভায় উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে শামীম আহসান বলেন, ‘আপনাদেরকে আমি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি, বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর যে পরিবর্তন দেখেছেন, যে ছাত্ররা-ছাত্রীরা তারা ছাত্রশিবিরের পক্ষে ভোট দিয়েছেন, তাদের বাবা-মায়েরাতো এরকম গ্রামেরই। ডাকসুতে যদি ইসলামীর ছাত্রশিবির ক্ষমতায় যেতে পারে, তাহলে আগামী দিনেও জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় যেতে পারে ইনশাআল্লাহ।’

এমন মন্তব্যের বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করে জামায়াত নেতা শামীম আহসান জাগো নিউজকে বলেন, ‌‘মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিভিন্ন অপকর্ম আমি আমার বক্তব্যে বোঝাতে চেয়েছি। ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের নিরঙ্কুশ বিজয়ের পরে সব কিছু পাল্টে দিয়েছে। সেক্ষেত্রে আমি বুঝিয়েছি নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ যে কালিমা লাগিয়েছিল, ছাত্রশিবির তা মুছে দিতে সক্ষম হয়েছে। এরপরেও যদি আমার বক্তব্যে আমার সম্মানিত ছাত্র-ছাত্রী, ভাই ও বোনেরা কষ্ট পেয়ে থাকেন, আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।’

বরগুনা জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মুহিব্বুল্লাহ হারুন জাগো নিউজকে বলেন, ‘বিষয়টি কিছুক্ষণ আগে জেনেছি। যতটুকু জেনেছি হয়তো এটিকে একটু অন্যভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। তাও আমি একটু খোঁজ নিচ্ছি।’

নুরুল আহাদ অনিক/এসআর/এমএস