ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

আইডি এভাবে হ্যাক হতে পারে না, তারা মিথ্যা বলছেন: তারেক রহমান

জেলা প্রতিনিধি | খুলনা | প্রকাশিত: ০৫:১০ পিএম, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেলে প্রকাশিত একটি পোস্টে নারীদের বিষয়ে করা মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, একটি রাজনৈতিক দলের একজন নেতা পরিষ্কারভাবে দুদিন আগে বলেছেন, যেসব মহিলা, যেসব মা-বোনেরা কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে যান, তাদেরকে (ইঙ্গিত করে) এমন একটি শব্দ ব্যবহার করেছেন, যা কলঙ্কস্বরূপ। এই কথা বলার পরে যখন তীব্র সমালোচনা শুরু হলো, তখন তারা বলছেন, আমাদের আইডি নাকি হ্যাক হয়ে গিয়েছিল। এই বিষয়ে যারা বিশেষজ্ঞ তারা পরিষ্কার ভাষায় বলেছেন, আইডি এভাবে হ্যাক হতে পারে না। তারা মানুষের কাছে মিথ্যা কথা তুলে ধরছেন।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১টার দিকে খুলনার প্রভাতী স্কুলমাঠে অনুষ্ঠিত বিএনপির নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, ‌‘দেশের জনসংখ্যা প্রায় ২০ কোটি, এর মধ্যে অন্তত ১০ কোটি নারী। এই বিশাল নারী সমাজকে পেছনে রেখে যত বড় পরিকল্পনাই করা হোক না কেন, দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের লক্ষাধিক নারী পোশাক শিল্পে কাজ করে দেশের অর্থনীতিকে সচল রেখেছেন। নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের নারীরা দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সংসার চালাতে স্বামীর পাশাপাশি কাজ করছেন। অথচ তাদেরই আজ অপমান করা হচ্ছে।

তারেক রহমান আরও বলেন, ‘যারা ইসলাম কায়েমের কথা বলেন, তারা ভুলে যাচ্ছেন—নবী করিম (সা.)-এর সহধর্মিণী হযরত বিবি খাদিজা (রা.) ছিলেন একজন সফল ব্যবসায়ী। তাহলে নারীদের কর্মজীবনকে অপমান করার এখতিয়ার কারও নেই।’

বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রতিটি পরিবারে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছে দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে দলের চেয়ারম্যান বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে নারীদের ধীরে ধীরে স্বাবলম্বী করে তোলা হবে, যাতে তারা কারও মুখাপেক্ষী হয়ে না থাকেন।

খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট অঞ্চলের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, এক সময়ের শিল্পনগরী খুলনা আজ মৃতপ্রায়। বিএনপি সরকার গঠন করলে এই অঞ্চলকে আবার জীবন্ত শিল্পনগরীতে রূপান্তর করা হবে। নারী-পুরুষ উভয়ের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে।

তরুণ সমাজের জন্য আইটি পার্ক ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালু করা হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে ঋণ, সার, বীজ ও কীটনাশক সহজে পাওয়া যাবে। পাশাপাশি বর্তমানে যেসব কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ রয়েছে, তা সুদসহ মওকুফ করা হবে।

আরিফুর রহমান/এসআর/জেআইএম