ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

পটুয়াখালীর বাউফল

জনসভায় আমিরের নিরাপত্তা-ওসির নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন জামায়াতের

জেলা প্রতিনিধি | পটুয়াখালী | প্রকাশিত: ১০:৩৪ এএম, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

পটুয়াখালীর বাউফলে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের আগমন ঘিরে নিরাপত্তা শঙ্কার কথা জানিয়েছেন দলটির নেতারা।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টায় বাউফল উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এ শঙ্কার কথা জানান। একই সঙ্গে তিনি বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।

আগামী শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বাউফল পাবলিক মাঠে সমাবেশে জামায়াত আমিরের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, বিভ্রান্তিকর তথ্যের ভিত্তিতে গভীর রাতে অভিযানের নির্দেশ দিয়ে বাউফল থানার ওসি দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেননি। ওসির নির্দেশে যখন এই অভিযান পরিচালনা করা হয়, তখন আমি প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বলেছিলাম, গভীর রাতে বিভ্রান্তিকর তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা যায় না। দিনের আলোতে আইনানুগভাবে যা দেখার, তা দেখা যেতে পারে। আমরা সবাই আইনের আওতায়।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমাদের সেই কথার প্রতি ন্যূনতম ভ্রূক্ষেপও করা হয়নি। ওসি নিজের দায়িত্বে এই কাজ করে প্রমাণ করেছেন যে, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের ক্ষেত্রে যে নিরপেক্ষতার দায়িত্ব তার ওপর রয়েছে, সেই নিরপেক্ষতা তিনি সম্পূর্ণভাবে হারিয়ে ফেলেছেন।

জামায়াত আমিরের বাউফল আগমন ও সমাবেশের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি আমাদের ঐতিহাসিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু যেখানে গোটা দেশবাসী আমিরে জামায়াতের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন, সেখানে একটি থানার ওসি যদি নিরপেক্ষতা হারিয়ে ফেলেন, তাহলে আমাদের নেতাকর্মীদের শঙ্কিত হওয়াটাই স্বাভাবিক।

আগামী নির্বাচন ও ভোটারদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই ওসির দায়িত্বে ১২ ফেব্রুয়ারি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব এটা বাউফলবাসী বিশ্বাস করে না। ভোটাররা আমাকে জানিয়েছেন, ওসির পরিবর্তন না হলে তারা ভয়হীন পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে যাবেন না। ভোটারদের নিরাপত্তা নিয়ে যে আস্থা থাকা দরকার, সেটি ইতোমধ্যে বিলীন হয়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, বাউফলবাসীও এই পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন। এমন প্রশাসনিক অবস্থার মধ্যে আমিরে জামায়াতের অংশগ্রহণে একটি সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ সমাবেশ বাস্তবায়নে প্রশাসন আদৌ সক্ষম কিনা সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

মাহমুদ হাসান রায়হান/এমএন/এমএস