ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

ময়মনসিংহের দুই বন্দর খোলা থাকলেও বন্ধ আমদানি-রপ্তানি

জেলা প্রতিনিধি | ময়মনসিংহ | প্রকাশিত: ০৭:৩৪ পিএম, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে কড়ইতলী ও গোবড়াকুড়া স্থলবন্দর খোলা থাকলেও বন্ধ রয়েছে আমদানি-রপ্তানি। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাগো নিউজকে এ তথ্য জানিয়েছেন কড়ইতলী ও গোবড়াকুড়া স্থলবন্দরের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. শাহীন মাহমুদ।

তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দরে তিনদিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে। তবে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে কড়ইতলী ও গোবড়াকুড়া স্থলবন্দরে ভারত থেকে সর্বশেষ গত ১০ জানুয়ারি কয়লা প্রবেশ করেছে। এরপর ব্যবসায়ীরা আর কয়লা আমদানি করতে রাজি হয়নি। ফলে এরপর থেকেই কয়লা আমদানি বন্ধ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩ হাজার ৩৩৬টি গাড়িতে আনুমানিক ৪০ হাজার ৩২ টন কয়লা আমদানি হয়েছে। বন্দরে সরকারি সব নিয়ম মেনে সবসময় কার্যক্রম চালানো হয়।

বন্দরের কাস্টম সুপার মুজাহিদ হোসেন বলেন, ব্যবসায়ীরা চাইলে যেকোনো সময় কয়লা বন্দরে প্রবেশ করবে। ভারতীয়রা সবসময় কয়লা দিতে প্রস্তুত রয়েছে। যত বেশি আমদানি হবে, সরকার ততই রাজস্ব পাবে।

কড়ইতলী ও গোবড়াকুড়া স্থলবন্দরের আমদানি রপ্তানি গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক অশোক কুমার অপু বলেন, প্রতি ট্রাকে ১২ টন কয়লা ধরে। একেকটি ট্রাকে ২০০ থেকে ৩০০ কেজি কয়লা বাড়তি থাকে। কয়লা রপ্তানির সময় ভারতীয়রা এই কয়লা ট্রাকে দিয়ে দেয়। এটি অনেক আগে থেকেই চলমান আছে। কারণ, অনেক গুড়া কয়লা ট্রাক থেকে নামানোর সময় পড়ে যায়, আবার অনেক গুড়া কয়লা নষ্টও হয়ে যায়। তবে বন্দরের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই বাড়তি কয়লার জন্য পেনাল্টি (জরিমানা) ধরে। এতে অনেক কয়লা ব্যবসায়ী ক্ষুব্ধ।

তিনি বলেন, নির্বাচনের পর নতুন সংসদ সদস্য পাবো। তখন নিশ্চয়ই সংসদ সদস্য বন্দরের এই সমস্যা সমাধান করবেন। নির্বাচনের পর নতুন সরকার দ্বায়িত্ব পালনের পর কয়লা আমদানির সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে আমরাও ভারতে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানির দিকে মনোযোগ দিচ্ছি।

কামরুজ্জামান মিন্টু/এনএইচআর/এমএন