ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

কুষ্টিয়ার ইউটিউব ভিলেজ থেকে বিপন্ন ঘড়িয়াল-কাছিম উদ্ধার

জেলা প্রতিনিধি | কুষ্টিয়া | প্রকাশিত: ১২:০৬ পিএম, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

কুষ্টিয়ার খোকসার শিমুলিয়া ‘ইউটিউব ভিলেজ’ পার্কের একটি চৌবাচ্চা থেকে বিপন্ন প্রাণী ঘড়িয়াল ও তিনটি কাছিম উদ্ধার করেছে বনবিভাগ।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে স্থানীয় এক সংবাদকর্মীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রাণীগুলো উদ্ধার করেন তারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গেল বছরের অক্টোবর মাসে শিমুলিয়ার একটি বিল থেকে এক জেলের জালে ঘড়িয়ালটি ধরা পড়ে। এরপর ওই জেলেরা নামমাত্র টাকায় এটিকে খোকসার শিমুলিয়া ইউটিউব ভিলেজ পার্ক মালিক দেলোয়ার হোসেনের কাছে বিক্রি করে দেন। পার্কের মালিক ঘড়িয়ালটিকে পার্কের ভেতরের একটি চৌবাচ্চায় জরাজীর্ণ অবস্থায় রেখে দেন। সম্প্রতি এক দর্শনার্থী ওই পার্কের চৌবাচ্চায় ঘড়িয়ালটিকে দেখে সাংবাদিকদের জানান। পরে মঙ্গলবার বিকেলে পার্কটিতে অভিযান চালিয়ে এই প্রাণীগুলোকে উদ্ধার করে বনবিভাগ।

কুষ্টিয়া বনবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ১৯৭০ দশক থেকে বিপন্ন প্রায় মিঠাপানির প্রাণী ঘড়িয়াল। বর্তমানে বাংলাদেশে চারটির মতো বড় ঘড়িয়াল নদীতে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ বিষয়ে শিমুলিয়া ইউটিউব ভিলেজ পার্কের মালিক দেলোয়ার হোসেন বলেন, অক্টোবর মাসে জেলের জালে ধরা পড়েছিল ঘড়িয়ালটি। ওই জেলেকে সামান্য কিছু টাকা দিয়ে ঘড়িয়ালটি ক্রয় করে পার্কে রেখেছিলাম। তবে, এভাবে প্রাণীটিকে রাখা অবৈধ তা জানা ছিল না।

সাংবাদিক নয়ন বলেন, একজন দর্শনার্থীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়টি আমি বনবিভাগকে জানাই। নির্বাচনের কারণে ঘড়িয়ালটি উদ্ধারে কালক্ষেপণ হয়েছে। তবে মঙ্গলবার বিকেলে ঘড়িয়ালটিকে উদ্ধার করেছে বনবিভাগ।

এ তথ্য নিশ্চিত করে কুষ্টিয়ার জগতি বনবিভাগের ডেপুটি রেঞ্জার (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবু বকর সিদ্দিক বলেন, বিশ্বস্ত সূত্রে ও সাংবাদিকদের সহযোগিতায় ইউটিউব ভিলেজ পার্ক থেকে মহাবিপন্ন একটি ঘড়িয়াল ও তিনটি কাছিম উদ্ধার করা হয়েছে। এগুলো প্রকৃতিতে অবমুক্ত করা হবে।

তিনি বলেন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন ২০১২ অনুযায়ী, ঘড়িয়াল ও কাছিম ধরা, মারা ও সংরক্ষণ করা বেআইনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়ার জগতি বনবিভাগের ডেপুটি রেঞ্জার (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবু বকর সিদ্দিক, খোকসা উপজেলা বন-বিভাগের কর্মকর্তা গোলাম কাজী, সাংবাদিক, পার্কের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

আল-মামুন সাগর/কেএইচকে/এমএস