ভেজাল স্যালাইন ও পণ্যে কারসাজি, ৫ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
পাবনায় অনুমোদনহীন কারখানায় ভেজাল স্যালাইন উৎপাদন এবং রমজান উপলক্ষে নিত্যপণ্যের অতিরিক্ত দাম রাখায় পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ২৭ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পাবনা শহরের তিনটি বাজারে অভিযান চালিয়ে এই দণ্ড দেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি।
অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, রমজানে স্যালাইনের বাড়তি চাহিদাকে পুঁজি করে অসাধু চক্র অনুমোদনহীন ও ভেজাল স্যালাইন বাজারে ছাড়ছে। এ সময় বিএসটিআই-এর অনুমোদন ছাড়া ওরস্যালাইন উৎপাদন ও সরবরাহের অভিযোগে সদর উপজেলার রামানন্দপুর বাজারের ‘হামজা ফুড অ্যান্ড বেভারেজ’কে ৫০ হাজার টাকা এবং ভেজাল টেস্টি স্যালাইন উৎপাদনের দায়ে শালগাড়িয়া এলাকার ‘শ্যামলী ফুড প্রোডাক্ট লিমিটেড’কে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
রমজানের চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে খেজুর ও লেবুর দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধির প্রমাণ পাওয়ায় আরও তিনটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়। ৯০০ টাকার খেজুর ১৪০০ টাকায় বিক্রির দায়ে ‘বিসমিল্লাহ ফল ভাণ্ডার’কে ৪ হাজার টাকা এবং অতিরিক্ত দামে লেবু বিক্রির অপরাধে ‘মিলন স্টোর’কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া আমদানি সংক্রান্ত বৈধ তথ্য ছাড়া কসমেটিকস বিক্রির অভিযোগে ‘পণ্যমেলা’ নামক একটি দোকানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এ বিষয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি বলেন, রমজানে সংযমের পরিবর্তে ব্যবসায়ীরা উচ্চমূল্যে পণ্য সামগ্রী বিক্রিতে মেতে ওঠেন। আবার বেশি চাহিদা থাকায় ভেজাল পণ্যও উৎপাদন করে একটি অসাধু চক্র। যা ভোক্তাদের জন্য চরম ক্ষতিকর ও অসহনীয়। এটি লাঘবে নিয়মিত অভিযানের বাইরেও আমরা পুরো রমজান জুড়ে বাজারে বাড়তি মনিটরিং চালাবো। এর অংশ হিসেবে ৫টি প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ২৭ হাজার টাকা জরিমানা ও আদায় করা হয়েছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আলমগীর হোসাইন নাবিল/কেএইচকে/জেআইএম