ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

যুবদল নেতার বিরুদ্ধে পুকুরের ৯০ মণ মাছ চুরির অভিযোগ

উপজেলা প্রতিনিধি | হিলি (দিনাজপুর) | প্রকাশিত: ০১:৫৯ পিএম, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

দিনাজপুরের হাকিমপুরে গভীর রাতে পুকুর থেকে প্রায় ৯০ মণ মাছ চুরির অভিযোগ উঠেছে এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার ১নং খট্টা মাধবপাড়া ইউনিয়নের মংলা গ্রামের একটি পুকুরে এ চুরির ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে দুইজনকে আটকের পর তাদের থানা থেকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।

পুকুর মালিক দাবিদার শাহিনুর কবির (৪৩) উপজেলার চকভবানী গ্রামের মৃত আশরাফ আলীর ছেলে। তিনি বাদী হয়ে শনিবার হাকিমপুর থানায় জাতীয়তাবাদী যুবদলের হাকিমপুর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক শাহ আলম মণ্ডল (৫৮), যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মাহমুদ (৪২) ও তাঁতীদলের উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আশরাফ আলী মণ্ডল(৪৫) সহ ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০/২৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শাহিনুর কবির ও তার ভাইয়েরা এলাকায় তাদের ক্রয়কৃত জমির একটি পুকুরে মাছ চাষ করে আসছিলেন। ক্রয়কৃত জমিটি বাদীর বাড়ি থেকে প্রায় আড়াই কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। সেই জমিতে দুটি পাঁকাঘর নির্মাণ করে স্থানীয় জাহিদুল ইসলাম ও মহব্বত আলীকে উক্ত জমি ও পুকুর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দেন শাহিনুর কবির। গত ২০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত দুইটার দিকে আসামিরা দলবদ্ধভাবে মিশুক গাড়ি ও মাছ ধরার জাল নিয়ে ওই পুকুরে যায়। পরে আসামিরা পুকুরে জাল দিয়ে মাছ আহরণ করে। এসময় পুকুর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা মহব্বত আলী আসামিদের মাছ ধরতে বাধা দিলে তারা মহব্বত আলীকে পুকুরে ডুবিয়ে মারার হুমকি দেয়। পরে আসামিরা ৩টি পিকআপ ভ্যানে করে পুকুর থেকে প্রায় ৯০ মণ বিভিন্ন প্রকারের মাছ (যার আনুমানিক মূল ৯ লাখ টাকা) চুরি করে নিয়ে যায়।

ওইদিন রাতে পুনরায় আসামিরা ওই পুকুরে মাছ ধরতে এলে পুকুর মালিক বিষয়টি মুঠোফোনে পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিরা সেখানে মাছ ধরার জাল ও মিশুক গাড়ি রেখে পালিয়ে যান।

এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন কুমার সরকার বলেন, পুকুরে মাছ চুরির অভিযোগে শনিবার হাকিমপুর থানায় একটি মামলা হয়েছে। ঘটনার দিন পুকুর এলাকা থেকে একটি পিকআপ ভ্যান, একটি মিশুক গাড়ি ও তিনটি জালসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছিল। আটকদের ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততা না থাকায় পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। মামলার তদন্ত চলছে। তদন্তে সত্যতা মিললে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান সুমন কুমার সরকার।

মো. মাহাবুর রহমান/এফএ/জেআইএম