ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষ

চুয়াডাঙ্গায় ১০ দিন পর মারা গেলেন আহত জামায়াত নেতা

জেলা প্রতিনিধি | চুয়াডাঙ্গা | প্রকাশিত: ০২:৫৩ পিএম, ১০ মার্চ ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে গুরুতর আহত জামায়াত নেতা মফিজুর রহমান চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বড় ভাই জামায়াতকর্মী হাফিজুর রহমানের মৃত্যুর ১০ দিন পর তিনি মারা গেলেন।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

মফিজুর রহমান জীবননগর উপজেলার বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের ইসলামীর আমির ছিলেন।

তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জীবননগর পৌর জামায়াতের পৌর যুব বিভাগের সভাপতি ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আমির আরিফুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার।

তিনি বলেন, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে জীবননগর উপজেলার হাসাদহ বাজারে পূর্ববিরোধের জেরে বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ছয়জন আহত হন। আহতদের মধ্যে বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মফিজুর রহমান এবং তার ভাই জামায়াত কর্মী হাফিজুর রহমান গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়রা তাদের প্রথমে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং সেখান থেকে যশোর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় নেওয়ার পথে হাফিজুর রহমান মারা যান। টানা ১০ দিন চিকিৎসা নেওয়ার পর আজ মঙ্গলবার দুপুরে মারা যান মফিজুর রহমান।

এদিকে জামায়াতকর্মী ও বিশিষ্ট স্বর্ণ ব্যবসায়ী হাফিজুর রহমান হত্যার ঘটনায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের আটজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ৯ জনকে আসামি করে জীবননগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলা দায়েরের পর জীবননগর থানা পুলিশ, জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিট যৌথ অভিযানে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মেহেদী হাসান, তার বাবা বিএনপির কর্মী জসিম উদ্দিনসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে।

এ বিষয়ে জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ বলেন, চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ দুপুরে মফিজুর রহমান মারা গেছেন বলে জানতে পেরেছি। তার বড় ভাইয়ের হত্যা মামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

হুসাইন মালিক/এফএ/জেআইএম