ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে সন্তান নিয়ে যুবকের বাড়িতে দুই নারী

জেলা প্রতিনিধি | কুড়িগ্রাম | প্রকাশিত: ০৮:৩৮ পিএম, ২৩ মার্চ ২০২৬

কুড়িগ্রামে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে যুবকের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন দুই নারী। এ নিয়ে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আপেল মাহমুদ গাঢাকা দিয়েছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের মাস্টারপাড়া এলাকার আপেল মাহমুদের বাড়িতে ঢাকা ও কুমিল্লা থেকে আসা শারমিন আক্তার ও হোসনে আরা নামের দুই নারী অবস্থান করছেন। আপেল মাহমুদ ওই এলাকার আবু হোসেনের ছেলে।

এলাকাবাসী জানান, গতকাল রোববার থেকে ওই দুই নারী স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে আপেল মাহমুদের বাড়িতে অবস্থান করছেন। শারমিন আক্তারের সঙ্গে রয়েছে প্রায় আট বছর বয়সী এক কন্যাসন্তান এবং হোসনে আরার সঙ্গে রয়েছে ১৬ মাস বয়সী এক পুত্রসন্তান।

এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়, ওই বাড়িতে ভিড় করে উৎসুক জনতা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা অভিযুক্ত যুবকের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত যুবক আপেল মাহমুদ গাঢাকা দিয়েছেন।

ভুক্তভোগী শারমিন আক্তার বলেন, ‘আমি স্ত্রীর স্বীকৃতি ও আমার সন্তানের পিতার স্বীকৃতি চাই। আমি সংসার করতে চাই। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এখানেই অবস্থান করবো।’

শারমিন কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার টোকাইরকান্দি গ্রামের আলিম উদ্দিনের মেয়ে।

অন্য ভুক্তভোগী হোসনে আরা বলেন, ‘আমিও আমার সন্তানের পিতার স্বীকৃতি চাই। এ দাবিতে আমি এখানে অবস্থান করছি। আমাকে আঘাত করার চেষ্টা করা হয়েছে। স্বীকৃতি না পাওয়া পর্যন্ত আমি এখান থেকে যাবো না।’

তিনি আরও বলেন, ২০১৩ সালে কুমিল্লায় লেখাপড়ার সময় আপেল মাহমুদের সঙ্গে হোসনে আরা আক্তারের পরিচয় হয় এবং পরে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। হোসনে আরা কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ইউসুফপুর ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের ফরিদ মিয়ার মেয়ে।

এছাড়া প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক থাকা অবস্থায় ২০১৬ সালে কুমিল্লার লাকসাম এলাকার জান্নাতি নামের আরও এক নারীকে বিয়ে করেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মকবুল মিয়া জানান, গতকাল থেকে দুই নারী এখানে অবস্থান করছেন। এতে এলাকায় মানুষের ভিড় বেড়েছে এবং চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত আপেল মাহমুদের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

ভোগডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান বলেন, বিষয়টি শুনেছি, তবে এখনো এর সত্যতা যাচাই করা হয়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোকনুজ্জামান মানু/কেএইচকে/এএসএম