ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

তরমুজ চাষিদের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, খাদ্য কর্মকর্তা গ্রেফতার

জেলা প্রতিনিধি | পটুয়াখালী | প্রকাশিত: ০৮:২০ পিএম, ২৭ মার্চ ২০২৬

পটুয়াখালীর বাউফলে তরমুজ চাষিদের কাছ থেকে চাঁদা দাবির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় খাদ্য অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। এর আগে ভোর রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

গ্রেফতার হওয়া মো. অলিউল্লাহ্ ওরফে অলি মির্জাগঞ্জ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে উপ-খাদ্য পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, রাঙ্গাবালী ও চরফ্যাশন উপজেলার কৃষক আরব আলীসহ কয়েকজন বাউফলের চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চরাঞ্চলে জমি লিজ নিয়ে তরমুজ চাষ করেন। চলতি মৌসুমে দিয়ারাকচুয়া এলাকায় তাদের ফলনও বেশ ভালো হয়। তবে তরমুজ পরিপক্ব হওয়ার পর অলিউল্লাহ্র নেতৃত্বে একটি চক্র ওই জমির মালিকানা দাবি করে কৃষকদের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে।

ভুক্তভোগী কৃষক আরব আলী জানান, গত ১৬ মার্চ তারা প্রায় ২৭ লাখ টাকা মূল্যের ৯ হাজার তরমুজ দুটি ট্রলারে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় অলিউল্লাহ্ ও তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাধা দেন এবং চাঁদা না দিলে তরমুজ নিতে দেবেন না বলে হুমকি দেন। একপর্যায়ে তারা জোরপূর্বক দুটি ট্রলার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেন। পরে ১০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে ৪ হাজার তরমুজসহ একটি ট্রলার ফেরত দিলেও বাকি তরমুজগুলো আটকে রাখা হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কৃষক আরব আলী বাদী হয়ে অলিউল্লাহ্কে প্রধান আসামি করে ১৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত পরিচয়ে আরও ১০-১২ জনকে আসামি করে বাউফল থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার ভিত্তিতেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বাউফল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম জানান, গ্রেফতার আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. নাসির উদ্দিনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মাহমুদ হাসান রায়হান/কেএইচকে/এএসএম