ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

হাতির প্রবেশ ঠেকাতে বিদ্যুতের ফাঁদ, বন বিভাগের উচ্ছেদ

জেলা প্রতিনিধি | শেরপুর | প্রকাশিত: ০৯:০৫ পিএম, ০৭ এপ্রিল ২০২৬

শেরপুরের ঝিনাইগাতী সীমান্তে বন্যহাতির আনাগোনা ঠেকাতে ফসলি জমিতে পাতা বৈদ্যুতিক জি-আই তারের ফাঁদ উচ্ছেদ করেছে বন বিভাগ।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে রাংটিয়া রেঞ্জের আওতাধীন তাওয়াকোচা বিটের পানবর মৌজায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, পাহাড়ি এলাকায় ভুট্টা ও ধানক্ষেতকে বন্য হাতির আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে কয়েকজন স্থানীয় ক্ষেতের চারপাশে জি-আই তার টানিয়ে তাতে বিদ্যুৎ সংযোগ দেন। এতে হাতির স্বাভাবিক চলাচলে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছিল। তথ্য পেয়ে তাওয়াকোচা বিটের বিট কর্মকর্তা ফাহিম মুনতাসিরের নেতৃত্বে বন বিভাগের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় ক্ষেতের চারপাশে দেওয়া বৈদ্যুতিক লাইন বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং প্রাথমিকভাবে জড়িত কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের ‘হাতি দেশের সম্পদ ও এ বনভূমি কেবল তাদেরই’ এ বিষয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা করা হয়।

সেভ দ্যা ওয়াইল্ড লাইফ এন্ড ন্যাচার (সোয়ান) এর শেরপুরের যুগ্ম আহ্বায়ক জিহাদ মিয়া বলেন, ৩০-৪০ বছর আগেও এসব এলাকা ছিল গহিন বন। বনখেকোরা ধীরে ধীরে বনে অনুপ্রবেশ করে বসতি গড়ে। এখন তারা বন্যপ্রাণিদের তাড়াতে বিদ্যুৎ দিয়ে ফাঁদ ব্যবহার করছেন। আর এসব এলাকায় অবৈধভাবে যারা বনের জমিতে বাস করছেন, তাদের কীভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হচ্ছে? সেটা বিদ্যুৎ বিভাগকে খতিয়ে দেখতে হবে।

অভিযানের বিষয়ে তাওয়াকোচা বিটের বিট কর্মকর্তা ফাহিম মুনতাসির বলেন, হাতি হত্যায় এ ধরনের বিদ্যুৎ ফাঁদ ব্যবহার করা হয়। আর এসব ফাঁদ অত্যন্ত বিপজ্জনক ও ব্যবহার করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এতে শুধু বন্যপ্রাণী নয়, মানুষের জীবনও ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি এবং এমন অভিযান ও জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অব্যাহত থাকবে।

মো. নাঈম ইসলাম/কেএইচকে/এমএস